প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজস্বখাতে অর্ন্তভুক্ত করণের দাবিতে কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মীদের লাগাতার অবস্থান র্ধমঘট

আহমেদ জাফর : গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শতভাগ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণে বাংলাদেশ সরকার বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা চালু করে ১৯৯৬ সালে।আন্দোলনকারী বাংলাদেশ কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কামাল সরকার জানান, সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও আমাদের সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। এই অবস্থান কর্মসূচি ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১ফেব্রয়ারী থেকে তাঁরা আমরণ অনশন শুরু করবো। রোববার দুপুরে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে দেখা যায়।

প্রায় ৩ হাজারো স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতিতে রাস্তার বেশির ভাগ জায়গা দখল হয়ে যাওয়ায় যানচলাচল বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। সেখানে আগে থেকেই দুই ধরনের শিক্ষকদের অনশন চলছে। এ ছাড়া ক্লিনিক ছেড়ে প্রায় ১৪ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী আন্দোলনে থাকায় গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপক ক্ষতির মূখে পরছে।

এ্যাসোশিয়েশনের যুগ্ম আহবায়ক মাকসুদর রহমান বলেন, আমরা খুব কষ্টে জীবন যাপন করছি। গত ৭ বছর যাবৎ কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মীরা চাকুরী জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবী দিয়ে আসছে। আমাদের মূল বেতন ১০ হাজার ২০০ টাকা। সর্বসাকল্যে পান ১৬ হাজার ৭০০ টাকা। রাজস্ব খাতে না হওয়ায় তাঁরা অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

দুইদিন কেটে গেলে এখনও কোনা সারা পাচ্ছি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শে বাংলাদেশের জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিচ্ছি কিন্তু স্বাস্ত্র্য কর্মীদের দাবি দেয়া আমলে নিচ্ছে না।

সহসভাপতি বলেন, । বার বার আমাদের আশ্বাস দেয়া হচ্ছে কিন্তু জাতীয় করণ করা হয় না।

কমিউনিটি ক্লিনিক হতে বিপুলসংখ্যক গ্রামীণ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিশেষ করে দরিদ্র মা ও শিশু, কিশোর-কিশোরী ও বয়স্ক মানুষ সেবা পাচ্ছে,। গণমুখী ও দরিদ্র বান্ধব কার্যক্রমটি টেকসই করতে এর কর্মীদের রাজস্বকরণ জরুরী। বর্তমানে সমগ্র বাংলাদেশে ১৩,৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে এবং প্রতিমাসে গড়ে ১ কোটি মানুষ সেবা গ্রহণ করেন।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত