প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বেগম জিয়ার সাজা হলে সরকার পতনের আন্দোলন হবে’

ফারমিনা তাসলিম: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় অন্যায়ভাবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে (তৃতীয় তলা) এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে অসত্য রায় দেওয়া হলে মুক্তির আন্দোলন নয়, সরাসরি সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক আরো বলেন, ‘দেশের জনগণ সুষ্ঠুভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আওয়ামী লীগ ত্রিশটার বেশি আসন পাবে না।’

খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া বক্তব্যর সমালোচনা করে বলেন, ‘বিএনপি নেতারা নয়, খালেদা জিয়ার মামলার রায় নিয়ে বক্তব্য দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরাই আদালত অবমাননা করেছেন।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ান উল হোসেন রিয়াজ।

প্রসঙ্গত, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছেন বিচারিক আদালত। এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলে খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে ধারণা আইনজ্ঞদের।

নয় বছর আগে জরুরি অবস্থা চলাকালে দুদকের দায়ের করা এ মামলায় দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ মো. আখতারুজ্জামান রায়ের জন্য এই দিন ঠিক করে দেন। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত এ মামলায় দুদক ও আসামিপক্ষ মোট ১৬ কার্যদিবস যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছে। সব মিলিয়ে ২৩৬ কার্যদিবস শুনানির পর মামলাটির রায়ের দিন ঠিক হলো। ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এ মামলায় বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী ও তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকেও আসামি করা হয়।

 

সূত্র : যমুনা টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত