প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

৭০ বছরে ইসরায়েলের ২৭’শ কিলিং মিশন

রাশিদ রিয়াজ : বিষ মেশানো টুথপেস্ট দিয়ে টার্গেট ব্যক্তিকে এক মাসেই প্রমাণ ছাড়া হত্যা করা যায়। এছাড়া ইসরায়েল শত্রুকে হত্যার জন্য সশস্ত্র ড্রোন, বিস্ফোরণে সক্ষম মোবাইল ফোন, গাড়ির অতিরিক্ত চাকায়ে পেতে রাখা দূর নিয়ন্ত্রিত বোমা ব্যবহার করে থাকে। শত্রু বিজ্ঞানী ও জনপ্রিয় মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের হত্যার জন্য এগুলো নিয়মিত ব্যবহার করে আসছে ইসরায়েল।
গত ৭০ বছরে এসব কৌশল ব্যবহার করে ২ হাজার ৭০০ হত্যা মিশন চালিয়েছে দেশটি। অবশ্য এর অধিকাংশই ব্যর্থ হয়েছে। ইসরায়েলের জাতীয় দৈনিক ইয়েদিয়ত আহারনটের গোয়েন্দা বিষয়ক প্রতিনিধি রনেন বার্গম্যান তার লেখা বই ‘রাইজ এন্ড কিল ফার্স্ট : দি সিক্রেট হিস্টরি অফ ইসরায়েলস টার্গেটেড এ্যাসাসিনেশনস’এ এমনটাই দাবি করেছেন। বইটিতে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ, শিন বেত ও সেনা কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার রয়েছে।

এক হাজার সাক্ষাৎকার ও কয়েক হাজার নথির উল্লেখ করে ছয় শতাধিক পৃষ্ঠার রাইজ অ্যান্ড কিল ফাস্ট নামের বইটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল যুদ্ধের পরিবর্তে গুপ্তহত্যা চালাতো। ইরানে সামরিক অভিযান না চালিয়ে দেশটির প্রায় আধা ডজন পারমাণবিক বিজ্ঞানীকে হত্যা করিয়েছিল তেল আবিব। এছাড়া ফিলিস্তিনের প্রাক্তন নেতা ইয়াসির আরাফাতকে হত্যা করা হয়েছিল রেডিয়েশনের মাধ্যমে বিষ প্রয়োগ করে। ২০০৪ সালে ইয়াসির আরাফাতের হত্যাকাণ্ডের পর নতুন একটি প্যাটার্ন ও সমর্থন সৃষ্টি হয়। তবে আরাফাতের সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল সে ব্যাপারে তথ্য থাকলেও তার প্রকাশ করা থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে রনেনকে। এর কারণ হিসেবে তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সেন্সরশিপকে দায়ী করেছেন।

রনেন জানিয়েছেন, নাইন ইলেভেনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ নিজ দেশের গোয়েন্দা সংস্থার জন্য অনেক ইসরায়েলি কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ওবামাও কয়েক শতাধিক টার্গেট কিলিং মিশন চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

তিনি লিখেছেন, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, যুদ্ধ কক্ষ, চালকবিহীন যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও কৌশল সবই এখন আমেরিকা ও মিত্ররা ব্যবহার করছে। এর বড় একটি অংশের উন্নয়ন ইসরায়েলেই করা হয়েছে। টাইমস অব ইসরায়েল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত