প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হলি আর্টিজন মামলায় পূর্ণাঙ্গ চার্জশিটের জন্যেই সময় নিচ্ছে তদন্ত কমিটি

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : একটি পূর্ণাঙ্গ চার্জশিট দেওয়ার জন্য সময় নিচ্ছে তদন্ত কমিটি। তারা হয়তো এই হলি আর্টিজনের মূল উৎস যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাই এখনো পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন ঢাকার একটি পত্রিকার সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার নুরুজ্জামান লাবু। বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথ বলেন।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজন বেকারিতে দেড় বছর আগে যে ভয়ঙ্কর হামলা হয়েছিল সেই মামলায় চার্জশিট জমা দেওয়ার জন্য বেঁধে দেওয়া সময় আজ আবারও শেষ হতে যাচ্ছে। আর এর আগেও আদালতে কয়েকবার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কিন্তু তারপরও পুলিশ কাজটি করতে পারেনি। কিন্তু এতো বড় একটি ঘটনার তদন্ত শেষে রিপোর্ট দিতে কেন এতো দেরি করছে তদন্তকারী সংস্থা?

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনাটি আসলে বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার সবচেয়ে বড় একটি ঘটনা। এই ঘটনাটি যেমন একটি বিশাল বিস্তৃত ঘটনা তেমন এর তদন্ত করতে গিয়ে অনেক কিছু খতিয়ে দেখতে হচ্ছে এর সাথে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের। তাই একটু সময় লাগছে কারণ প্রতিটি বিষয় অনেক ডিটেইলসে খতিয়ে দেখতে হচ্ছে। এটা কারা ঘটিয়েছে সেটা আমরা জানি কিন্তু এর পেছনে কারা ছিল তাদের প্রত্যেকের রোল পরিষ্কার করার জন্য একটু সময় বেশি লাগছ্।

এই পর্যন্ততো তদন্তে অনেকটা সময়ই পাড় হয়ে গেছে, তাহলে এই তদন্তে এখনো পর্যন্ত কতটা কী জানা গেছে?

জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে। সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, এই ঘটনায় ৬ জন গ্রেফতার আছে যার মধ্যে একজন ওই ঘটনায় উপস্থিত ছিল। এর মধ্যে হলি আর্টিজন হামলার পরও অনেকগুলো অভিযান হয়েছে। তারমধ্যে কাউন্টার টেরিরিজম ও র‌্যাবের কয়েকটি অভিযান হয়েছে এবং সেই হামলায় হলি আর্টিজনের সাথে সম্পৃক্ত অনেকে নিহত হয়েছে। আর এরমধ্যে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ জন। যার মধ্যে ৫ জন সরাসরি হলি আর্টিজন হামলায় নিহত হয়েছে।

কিন্তুু এই হামলার সাথে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে যারা জড়িত ছিল তাদের সকলকেই কী চিহ্নিত করা গেছে?

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই অপারেশনের পুরো বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে উপর থেকে, তাই সেই বিষয়টি এখনো ক্লিয়ার করেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে সন্দেহভাজন হিসেবে যাদের আটক করা হয়েছিল, তাদের এখন কার কী অবস্থা এবং এই হামলায় কারা অর্থায়ন করেছিল সে বিষয়ে কী স্পষ্ট কিছু উঠে এসেছে?

জবাবে তিনি বলেন, হাসনাত করিমসহ সবাই কারাগারে রয়েছে। আর কর্মকর্তারা যেটা বলছেন এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর অবসারপ্রাপ্ত মেজর জাহিদুল ইসলাম যিনি ঢাকার মিরপুরে অন্য একটি অপারেশনে মারা গিয়েছিল এবং তানভীর কাবিরি নামে আর একজন আজিমপুরে আর একটি হামলায় নিহত হয়েছিল। তাই তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই দুইজন ব্যক্তি যে নিজস্ব সম্পত্তি ছিল, তার পুরোটাই তারা এই সংগঠনে দিয়েছে। আর একটি তথ্য পেয়েছি, দেশের বাইরে থেকে ১৫ লাখ টাকা আসে এই টাকাটা কে বা কারা পাঠায় সেটাও একটা বড় বিষয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত