প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজীপুরে চেক জালিয়াতি করে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরে চেক জালিয়াতি করে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ ও চেক চুরির অভিযোগে আদালতে দুটি মামলা করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার জেলা জজ কোর্টে প্রতারণা ও চুরির অভিযোগ এনে মামলা দুটি করেন মো. মাসুদ রানা। মামলার একমাত্র আসামি মনিরুজ্জামান বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

জালিয়াতি মামলাটি করা হয়েছে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আদালতে। বিচারক আব্দুল হাই মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, চেক চুরির ঘটনায় গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে  করা অপর মামলায় আসামিকে ১৮ ফেব্রুয়ারি  আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুর সদরের কড্ডা এলাকার আরফান ট্রেডিং হাউজ নামের একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান স্থানীয় একটি প্রকল্পে বালু ভরাটের কাজ করত। প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী হিসেবে ওই কাজ তদারকি করতেন মনিরুজ্জামান। গত ৩০ নভেম্বর মনিরুজ্জামান ৮৩ লাখ ৪ হাজার ৯১২ টাকার একটি বিল আনেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এইচবিইডিআইয়ের অফিস থেকে । কিন্তু এ বিলটি তিনি বাদীর হিসাবে জমা না দিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে জাল সই দিয়ে এনআরবি ব্যাংকে নিজের হিসাবে জমা দেন। কিন্তু তিনি বাদীকে বিল হয়নি বলে জানান। পরে ১৫ ডিসেম্বর বিষয়টি নিয়ে কানাঘুষা শুরু হলে কৌশলে বাদীর অফিস থেকে ব্র্যাক ব্যাংকের চারটি চেক (৪২৮৬০১৩, ৪২৮৬০১৪, ৪২৮৬০১৫ ও ৪২৮৬০১৬) চুরি করে আসামি মনিরুজ্জামান পালিয়ে যান।

এদিকে ওই ঘটনার পর গত ২৪ ডিসেম্বর একটি চেকে এক কোটি ৮৫ লাখ টাকার অঙ্ক লিখে প্রতিষ্ঠানের সিল ও সই জালিয়াতি করে ব্র্যাক ব্যাংক জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখায় জমা দেন আসামি মনিরুজ্জামান। পরে সন্দেহ হলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তা বাদীর কাছে ফোন দেন। এতে জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এ অবস্থায় আসামি ওই টাকা তুলতে ব্যর্থ হন। পরে মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আরফান ট্রেডিং হাউজের মালিক মাসুদ রানা মামলা দুটি করেন ।

আসামি মনিরুজ্জামান পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী মাসুদ রানা বলেন, ‘বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মনিরুজ্জামান আজ আমার সর্বস্ব নিয়ে পালিয়েছে। ন্যায়বিচারের আশায় আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।’

আনিস/

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত