প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্যান্ট্রি ক্রেনের অভাবে ভোগান্তিতে শিপিং এজেন্টরা

ফারমিনা তাসলিম: চট্টগ্রাম বন্দরে গ্যান্ট্রি ক্রেনের অভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে শিপিং এজেন্টরা। প্রতিবেশি দেশগুলোতে ১শ’রও বেশি গ্যান্ট্রি ক্রেন থাকলেও চট্টগ্রাম বন্দরে আছে মাত্র দুটি। কন্টেইনার ওঠানামায় বিভিন্ন ক্ষতির মুখে পড়ছে জাহাজ মালিকরা।

বিশ্বের যে কোনো বন্দরে জাহাজ থেকে কন্টেইনার ওঠানামার জন্য গ্যান্ট্রি ক্রেনের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিটি গিয়ার ভ্যাসেল যেখানে প্রতি ঘন্টায় মাত্র ১০ থেকে ১৫টি কন্টেইনার ওঠানামা করাতে পারে, সেখানে গ্যান্ট্রি ক্রেনপারে ৩৫টির বেশি।

এছাড়া বন্দরগুলোতে গ্যান্ট্রি ক্রেন স্থাপন করায় বর্তমানে অধিকাংশ জাহাজই গিয়ার লেস। অর্থাৎ জাহাজে কন্টেইনার ওঠানামার ক্রেন থাকছেনা। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দরে এক যুগ আগে স্থাপন করা চারটি গ্যান্ট্রি ক্রেনের মধ্যে দু’টি কয়েক মাস আগে থেকে অচল পড়ে আছে। প্রয়োজনীয় গ্যান্ট্রি ক্রেন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিপিং এজেন্টদের।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আহসানুল হক চৌধুরী বলেন, সব দেশে অনেক গ্যান্ট্রি থাকলেও মাত্র দুটি গ্যান্ট্রি দিয়ে আমাদের চলছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, সাধারণত একটি গিয়ার বা ক্রেনবিহীন জাহাজের ভাড়া ৬ থেকে ৮ হাজার মার্কিন ডলার হলেও ক্রেন সংযুক্ত জাহাজের ভাড়া ১২ থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। গ্যান্ট্রি ক্রেন স্বল্পতার কারণে বাড়তি টাকায় জাহাজ ভাড়া করার পাশাপাশি শিপমেন্ট হারিয়ে ফেলার শংকায় শংকিত থাকতে হয় তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (পরিকল্পনা ও প্রশাসন) সদস্য মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, সংকট কাটাতে চীন থেকে ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে ১০টি গ্যান্ট্রি ক্রেন কিনবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আগামী জুনের মধ্যে নতুন কেনা গ্যান্ট্রি ক্রেনগুলো নিউ মুরিং কন্টেইনার জেটিতে স্থাপন করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ১৬টি জেটি থাকলেও মাত্র একটি জেটিতে গ্যান্ট্রি ক্রেনের মাধ্যমে জাহাজ থেকে কন্টেইনার ওঠানামা করানো হয়।

সূত্র : সময় টিভি

সর্বাধিক পঠিত