প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালেদার রায় ঘিরে উদ্বেগ-আতঙ্কে দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট  : বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিরম্নদ্ধে করা জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলার রায়কে ঘিরে দুই প্রধান দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় দেশের রাজনীতির অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দল দুটির শীর্ষ নেতাদের পাল্টাপাল্টি হুমকি-ধামকিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। রায়ের দিনকে ঘিরে দুই দল ও সরকারের সাংঘর্ষিক প্রস্তুতির খবরে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি চেয়াপারসনের এই রায়ের বিষয়টি বর্তমানে সবচেয়ে গুরম্নত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। উভয় দলই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নিচ্ছে। দুই দফা আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার পর এতদিন রাজপথে নিষ্ক্রিয় থাকলেও দলের অস্ত্মিত্বের প্রশ্নে আঁটঘাট বেঁধে ফের মাঠে নামার সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিকে আরও কোনঠাঁসা করার পরিকল্পনা করছে ক্ষমতাসীনরা। সঙ্গত কারণে এই রায়কে ঘিরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা আরও তীব্র হচ্ছে।

সরকারি সূত্র বলছে, রায়কে ঘিরে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। রায়-পরবর্তী করণীয় নিয়ে শুরম্ন হয়েছে এমপি-মন্ত্রীসহ সরকারের উচ্চ মহলে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাখা হয়েছে কঠোর অবস্থানে। সেই সঙ্গে রায়-পরবর্তী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য ছাত্রলীগসহ দলের শক্তিশালী উইংগুলোকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে, বিএনপিও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার রায় ঘোষণার বিষয়টি গুরম্নত্বের সঙ্গে নিয়েছে। রায় এবং রায়-পরবর্তী করণীসহ চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কিমিটির সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। আজ ২০-দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত্ম চূড়ান্ত্ম করা হবে।

এদিকে আগামী ৮ ফেব্রম্নয়ারি কী হবে তা নিয়ে বিএনপির ভেতরে-বাইরে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হবে, না বেকসুর খালাস পাবেন, তা নিয়ে সারাদেশের নেতাকর্মীদের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের পাশাপাশি রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দিন ধরেই এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। তবে মানসিকভাবে অনেক শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। জেলকে তিনি ভয় পান না বলে ঘনিষ্ঠজনদের এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত্ম আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে থাকারও চিন্ত্মাভাবনা চলছে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর ঢাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা একাধিকবার বৈঠক করেছেন। অঙ্গসংগঠনের নেতারাও পৃথকভাবে আলোচনা করছেন। দীর্ঘমেয়াদে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে এর প্রস্তুতি নিয়েও কথাবার্তা চলছে। অনেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে নানা কৌশল নিতেও শুরম্ন করেছেন। গত দুই দিন রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনভর কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায়নি। অনেক নেতার ব্যক্তিগত ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে এই পরিস্থিতিতে অনেক নিষ্ক্রিয় নেতা সক্রিয় হওয়ারও চেষ্টা করছেন।

বিএনপি সূত্রমতে, রায়-পরবর্তী পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ইতোমধ্যে তৃণমূলে বার্তা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত একাধিক টিম তৃণমূল সফরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। রায়ের দিন দেশের সব নেতাকর্মীকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। রায় বিপক্ষে গেলে কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা যাবে, সেটা যেন একযোগে পালন করা হয় সে ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। রায়ের দিন সারাদেশে শান্ত্মিপূর্ণ গণজমায়েত বা শোডাউন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে রায়কে কেন্দ্র করে জ্বালাও-পোড়াও বা ধ্বংসাত্মক কোনো কর্মসূচিতে যাবে না দলটি। এই ইসু্যতে তৃতীয় পক্ষ যাতে ফায়দা নিতে না পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক দলের হাইকমান্ড। এ ছাড়া খালেদা জিয়ার সাজা হলে বিভিন্ন সংগঠন, দল এবং জোটের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছায় কারাবরণের কর্মসূচির কথাও ভাবছেন।

এদিকে পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার পাশাপাশি আইনিভাবেও মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে সিনিয়র আইনজীবীরা প্রাথমিক কাজ শেষ করেছেন। বিশেষ আদালতে সাজা দেয়া হলে তাৎক্ষণিকভাবে আপিলের শর্তে ওই আদালতে জামিন চাওয়া হবে। পাশাপাশি দ্রম্নততম সময় রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি তুলে উচ্চ আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করার প্রস্তুতি রয়েছে আইনজীবীদের। রায় বিপক্ষে গেলে আইনজীবীদের টানা আদালত বর্জনের মতো কর্মসূচি নিয়ে দলটির মধ্যে আলোচনা চলছে। দল ও জোটের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে এ ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ করার চিন্ত্মাভাবনা রয়েছে। পেশাজীবীরা যাতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ জানান, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার সাজা হলে বিএনপি ভেঙে যাবে রাজনৈতিক মহলের যে আলোচনা চলছে, সেটা নিয়ে দলটিকে সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন, দল ভাঙার রাজনৈতিক পরিকল্পনার বিষয়ে তারা জানতে পেরেছেন। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পদেক্ষেপ নেয়া হবে।

রায় নিয়ে বিএনপির ভাবনার বিষয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরম্নল ইসলাম আলমগীর বলেন, অবস্থাদৃষ্টে যা মনে হচ্ছে, খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে যেতে না দেয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছে সরকার। আর এটি করা হলে নির্বাচনের জন্য বিএনপি তৈরি হচ্ছিল, সেটা বাধাগ্রস্ত্ম হবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত্ম হয়ে যাবে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হবে।

একই বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরম্নদ্ধে নেতিবাচক রায় হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। বিএনপি ওই রায় নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি দিক বা না দিক, কিছুই যে ঘটবে না, সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না। সরকারের আদিষ্ট হয়ে যদি আদালত থেকে নেতিবাচক কোনো সিদ্ধান্ত্ম প্রকাশ পায়, তাহলে তখন থেকে এই সরকারের পতনের ভিত্তিপ্রস্ত্মর স্থাপিত হবে।

আওয়ামী লীগ :

এদিকে এই মামলার রায়কে ঘিরে পরবর্তী পরিস্থিতি সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ ও মোকাবেলা করতে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য করলে এর বিরম্নদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। যেখানেই নৈরাজ্য-নাশকতা, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ক্ষমতাসীনরা। এ জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। পাড়া-মহলস্নায় করা হচ্ছে সন্ত্রাস-নাশকতা প্রতিরোধ কমিটি। আওয়ামী লীগ নেতাদের ধারণা, আদালতের রায় সামনে রেখে এক ধরনের অস্থির পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টা করবে বিএনপি। এ জন্য বিএনপি যেন মাঠে নামতে না পারে, এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে থাকতে ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করছে। রায়ে খালেদা জিয়া দোষী সাব্যস্ত্ম হলে তাকে শাস্ত্মি পেতে হবে। আর নির্দোষ হলে তিনি বেকসুর খালাস পাবেন। এতে আওয়ামী লীগের কোনো হাত নেই। আর এই মামলাও আওয়ামী লীগের আমলে করা হয়নি। এটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের মামলা। কাজেই এই রায়কে ঘিরে বিএনপি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে। বিএনপির বিশৃঙ্খলা ও আন্দোলন ঠেকাতে ইতোমধ্যে রাজধানীতে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠন করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ। সংগঠনের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট জানান, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি এবং বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য প্রতিরোধ করার লক্ষ্যেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী মাসের মধ্যে সারাদেশে একইভাবে এলাকাভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে।

জানা গেছে, বিএনপির নেতাকর্মীদের ভেতরে ভয় ঢোকাতে রায়ের আগে গ্রেপ্তার কার্যক্রমও চালানো হবে। ইতোমধ্যেই রায় নিয়ে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইলে সেটা কঠোর হস্ত্মে দমন করা হবে বলে হুশিয়ার করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সরকারি সূত্রগুলো জানায়, রায় ঘিরে বিএনপিকে মাঠে নামার সুযোগ দিতে চায় না আওয়ামী লীগ। তাই পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে মাঠ দখলে রাখবে। ইতোমধ্যে সারাদেশে সাংগঠনিক সফর শুরম্ন করেছে আওয়ামী লীগ। খালেদা জিয়ার রায় ঘিরে এই কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।

সূত্রমতে, জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলার রায় ঘিরে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হলে, সেটা প্রতিহত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক পুলিশর্-যাব। এরই মধ্যে রাজধানীসহ সারাদেশে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিও। অতীতে যারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশিস্নষ্ট ছিলেন তাদের গতিবিধির ওপর নজর রাখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দুই-একদিনের মধ্যে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব জেলার পুলিশ সুপার ও অন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবে পুলিশ সদর দপ্তর। তবে ঢাকায় মাসখানেক আগে থেকেই প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পুলিশ।

খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে ঘিরে আওয়ামী লীগের ভাবনা ও করণীয় প্রসঙ্গে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, তারা চান বিএনপি স্বাভাবিক ও সুস্থ রাজনীতি নিয়ে মাঠে আসুক। কিন্তু দলটির শীর্ষ নেতাদের দুর্নীতির অভিযোগে বিচারের রায় নিয়ে মাঠে নামলে সেটা মেনে নেয়া হবে না। তাদের অন্যায় আন্দোলন ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- মোকাবেলায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও দেশের স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখতে সরকার যেকোনো সিদ্ধান্ত্ম গ্রহণ করবে। এ ছাড়া বিএনপির জন্য আইনিভাবে প্রতিবাদ করার সুযোগ রয়েছে। এর বাইরে মাঠে নেমে দেশে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করতে চাইলে তাদের পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে।

এই রায়কে ঘিরে দুই দলের নেতাদের ভয়াবহ পরিণতির হুঙ্কারে দেশে আরেক দফা রাজনৈতিক সংঘাত-সহিংসতা সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন সুশীলসমাজের প্রতিনিধি ও বিশেস্নষকরা। এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি এম. হাফিজ উদ্দিন খান বলেন, আদালতের রায়ে যদি খালেদা জিয়া খালাস পেয়ে যান, তাহলে তেমন কোনো সমস্যার সৃষ্টি হবে না। কিন্তু তার যদি শাস্ত্মি হয়, তাহলে দেশে সংকট দেখা দেবে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। এ অবস্থায় উভয়পক্ষকেই সংযত আচরণ করতে হবে। সংঘাতে না গিয়ে বিএনপির সামনে আইনগতভাবে মোকাবেলা কিংবা রায়ের বিরম্নদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ রয়েছে। আবার আওয়ামী লীগ যদি ওই রায় উদযাপন করতে যায় কিংবা এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে যায়, তাহলে সংকট-সংঘাত আরও বাড়বে। তাই আওয়ামী লীগেরও ধৈর্য ও সহনশীলতা দেখানো দরকার।

উৎসঃ যায়যায়দিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত