প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ট্রেন চালকের দূরদর্শিতায় ২শতাধিক যাত্রীর জীবন রক্ষা

লাকসাম প্রতিনিধি :লাকসামে ট্রেন চালকের দূরদর্শিতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে একটি যাত্রীবাহী কমিউটার ডেমু ট্রেন। শনিবার বিকেলে লাকসাম রেলওয়ে জংশনে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ট্রেন যাত্রীরা জানায়, নোয়াখালী থেকে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী কমিউটার ডেমু ট্রেনটি দুপুরে লাকসামে যাত্রাবিরতি করে। এরপর পুনরায় ২শতাধিক যাত্রী নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এ সময় স্টেশনের পয়েন্ট ২১-বি লাইন দিয়ে লোকোশেড পর্যন্ত পৌঁছানোর সময় চালক কামাল হোসেন হঠাৎ লক্ষ করেন, ওই রেল লাইনের ট্রেপ (ট্রেন স্টেশনে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার সময় ট্রেনের লাইন পরিবর্তনের জন্য রেললাইনের ফাঁকা স্থান বিশিষ্ট সিগনাল) ফাঁকা রয়েছে। তাৎক্ষনিক ভাবে চালক ট্রেনটি থামিয়ে দেন এবং পুনরায় ট্রেনটি পেছনে ফিরিয়ে প্লাটফর্মে  নিয়ে যান।

কমিউটার ডেমু ট্রেনের চালক মো. কামাল হোসেন বলেন, ভুল সিগনালিংয়ের জন্য শুক্রবারও এই স্থানে একটি মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছিল। আজ আবার একই ধরনের ভুল করেছেন স্টেশন মাস্টার। দুর্ঘটনার ট্রেপটি থেকে ট্রেন মাত্র ১২-১৩ হাত দূরে ছিল। তাৎক্ষণিক ট্রেনটি থামাতে না পারলে লাইনচ্যুত হয়ে তা পার্শ্ববতী পুকুরে পড়ে যেত। এতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতো।

এদিকে ভুল সিগনালিংয়ের জন্য যাত্রীরা স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ট্রেনটি আবার কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

লাকসাম রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জালাল উদ্দিন জানান, কেবিনে যারা ছিল তারাই সিগনাল দিয়েছিল। কিছু ভুল-ভ্রান্তি ছিল। কর্ণফুলী ট্রেনের জন্য যে সিগনাল দেয়া হয়েছিল, ডেমু ট্রেনের চালক সে সময় লাইন ক্লিয়ার মনে করে ট্রেন ছেড়ে দিয়েছিল।

এদিকে ষ্টেশন মাষ্টারের বক্তব্যের বিষয়ে কমিউটার ডেমু ট্রেনের চালক মো. কামাল হোসেন জানান, পেপার লাইন ক্লিয়ার পেয়েই আমি ট্রেন পরিচালনা শুরু করি, উনার ওই বক্তব্য সঠিক নয়।

এ বিষয়ে সিগনাল প্রদাণকারী কেবিন মাষ্টার সিএসএম ইকবাল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত