প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পুতিনের অধীনে বেড়ে গেছে রাশিয়ার জীবনমান

কামরুল আহসান : প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভøাদিমির পুতিন রাশিয়ায় প্রথম নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০০০ সালে। পুতিনের আগে রাশিয়ার জিডিপি ছিল ৯ হাজার ৮৮৯ ডলার। ২০১৭ সালের মধ্যে তা তিনগুণ বেড়েছে। এখন তা ২৭ হাজার ৯০০ ডলার। সহযোগী ব্রিকস দেশগুলোর মধ্যে রাশিয়ার মাথা পিছু জিডিপিই সবচেয়ে বেশি। তার পরের অবস্থানে আছে চীন। তাদের জিডিপি ১৬ হাজার ৬২৪ ডলার। গড় পারিশ্রমিক বেড়েছে ১১ গুণ। ৬১ ডলার থেকে ৬৫২ ডলার। বেকারত্ব ১৩ শতাংশ থেকে ৫.২ শতাংশে নেমেছে। পেনশন বেড়েছে ১০০০ গুণ।

পিপিপি অনুযায়ী, পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ রাশিয়া, যাদের জিডিপির পরিমাণ ৪ ট্রিলিয়ন ডলার। পিডাব্লিসি এর মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশটি ইউরোপের সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশ হবে, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যকেও ছাড়িয়ে যাবে। অথচ ১৯৯৯ সালে রাশিয়ার পিপিপি ছিল মাত্র ৬২০ বিলিয়ন। গত ১৮ বছরে রাশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬০০ গুণ বেড়েছে। ২০১৭ সাল নাগাদ মুদ্রাস্ফিতির হার ৩৬.৫ শতাংশ থেকে ২.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। রাশিয়ার ব্যাংকিং সিস্টেমের সম্পদের মোট মূল্য বেড়েছে ২৪ গুণ, যার মূল্যমান ১.৪৩ ট্রিলিয়ন ডলার। রাশিয়ার স্টক মার্কেটের মূলধন বেড়েছে ১৫ গুণ, ৬২১ বিলিয়ন ডলার।

২০০০ সালে পুতিন যখন নির্বাচিত হলেন রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র ১২ বিলিয়ন ডলার। ১৮ বছরে অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে লক্ষণীয়ভাবে। এখন রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৩৫৬ বিলিয়ন ডলার। ২০০০ সালের পর রাশিয়ার গোল্ডরিজার্ভও বেড়েছে ৫০০ গুণ। এখন তার সর্বমোট পরিমাণ ১ হাজার ৮৩৮.২১১ টন, যার আর্থিক মূল্যমান ৭৬ বিলিয়ন ডলার।

এক সময় রাশিয়ার অর্থনীতি শুধু তেল আর গ্যাসের ওপরই নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু এখন কৃষিক্ষেত্রেও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। ২০১৭ সালে রাশিয়ার কৃষকরা তাদের স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি উৎপাদন করেছে, যা গত ৪০ বছরের সোভিয়েত রাশিয়ার রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। বিশ্ব গমের বাজারে তাদের রপ্তানী বেড়েছে ৪ গুণ; ৪ শতাংশ থেকে যা এখন ১৬ শতাংশে। ২০০২ সাল থেকে রাশিয়া শস্য রপ্তানী শুরু করেছে, ২০১৭ সালে তারা ৭ বিলিয়ন ডলারের খাদ্যশস্য রপ্তানী করেছে। রাশিয়া টুডে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত