প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোববার শুরু হচ্ছে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দরের নির্মাণকাজ

হুমায়ুন কবির খোকন: কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দরের আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে রোববার থেকে। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ‘মাতারবাড়ি ১২০০ মেগাওয়াট আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের’ ভিত্তিস্থাপন করবেন । জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই কেন্দ্রের কাঁচামাল হবে কয়লা।

মহেশখালীর মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের আওতায় নির্মিতব্য বন্দরটিই পরবর্তীতে গভীর সমুদ্র বন্দরে রূপান্তরিত করা হবে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও দেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করে মাতারবাড়িকে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলারও পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

মহেশখালীর মাতারবাড়ি ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুত প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে ১৭ শতাংশ শেষ হয়েছে। গুলশান হামলার প্রভাব পড়েছিল মাতারবাড়ি প্রকল্পেও। তার অবসান ঘটিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে গত বছরের জুলাইয়ে জাপানের তিনটি প্রতিষ্ঠানের একটি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি করে কোলপাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ (সিপিজিসিবিএল)।

২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। প্রকল্পের খরচের পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা হবে বলেও জানায় তারা। মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমদানি করা কয়লানির্ভর হওয়ায় কয়লা আনার জন্যই মহেশখালীর সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর করা হচ্ছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। ৫৯ ফুট গভীর এই বন্দরে ৮০ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার জাহাজ ভিড়তে পারবে।

সর্বাধিক পঠিত