প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিশুদের শিশুতোষ চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে : মোস্তফা মনোয়ার

হ্যাপী আক্তার : বাবা-মায়ের দায়িত্ব শিশুদের শিশুতোষ চলচ্চিত্রের প্রতি আগ্রহ তৈরি করানো ও দেখানো। এখন ছবি দেখতে আর পয়সা খরচ করতে হয় না। এখন সেই সুযোগটি আরো কাছাকাছি চলে এসেছে ইন্টারনেট, মোবাইল, কম্পিউটার ও ডিস’এর মাধ্যমে।

এক সময়ে পরিবারের সবাই বাবা-মায়ের সাথে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখতেন। সেই প্রবণতা এখন অনেক কমেছে। সেখানে শিশুতোষ সিনেমা দেখার সুযোগ কতটা আছে? বিবিসি বাংলার এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মনোয়ারকে প্রশ্ন করা হলে তার জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ফ্রেমে ফ্রেমে আগামীর স্বপ্ন এই স্লোগানে ঢাকায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে শিশু চলচ্চিত্র উৎসব। এবারের উৎসবে বাংলাদেশ ও বিভিন্ন দেশের ২২০টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। তার সাথে থাকবে শিশুদের নির্মিত চলচিত্র। বাংলাদেশে এই নিয়ে এগারো বারের মত চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করা হচ্ছে।

ইন্টারনেট, মোবাইল, কম্পিউটার এসব প্রযুক্তিগত জিনিসের ভিড় ঠেলে শিশুতোষ চলচ্চিত্র দেখার কি সুযোগ থাকছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মনোয়ার বলেন, বিদেশে নানাভাবে দেখানো হয়। একসাথে সবাইকে দেখতে হবে বিষয়টি এমন নয়। সুতরাং একটি প্রচেষ্টা যে শিশুতোষ ছবি শিশুদের দেখার জন্য আগ্রহ তৈরি করা। শিশুদের জন্য যে চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়, এই প্রচেষ্টার একটি সূত্রপাত মাত্র। সে দিকটিকে লক্ষ্য রেখেই শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করা হয়।

যেখানে ক্রমেই দর্শকরা হল বিমুখ হয়ে পড়ছেন, অনেক সিনেমা হলও বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। টেলিভিশন, ইন্টারনেট, কার্টুন আর যন্ত্রের ভিড়ে শিশুতোষ চলচ্চিত্রের প্রতি শিশুরা কতটা আকৃষ্ট হচ্ছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মনোয়ার বলেন, শিশুদের সবকিছুর প্রতিই আগ্রহ থাকে। যে কোনো নতুন জিনিস শিশুদের গ্রহণ করে থাকে এবং সে সব কিছুই তাদের মনের মধ্যে থাবে। যতই যান্ত্রিক অব্যাবস্থা আসুক না কেন? চিরন্তন যে শিশু মন একটা নতুন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চলমান।

চলচ্চিত্র উৎসবের যে সূত্রপাত তা ঢাকা কেন্দ্রীক কিন্তু বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে বিপুল পরিমাণে শিশুরা বড় হচ্ছে। ঢাকায় যারা আছে তারা হয়তো শিশুতোষ চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠানে গিয়ে ছবি দেখবে। কিন্তু গ্রামে যে শিশুরা আছে তাদের সেই সুযোগটি নেই।

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো কিছু শুরু হলে শহর থেকেই প্রথমে শুরু হয়। শহর হলো একটি মিলন ক্ষেত্র। মিলনের ক্ষেত্রে সকলের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে হবে তাহলেই একটি বিষয়ে সবাই জানবে। তারপরে গ্রামেগঞ্জে তা ছড়িয়ে দিতে হবে। তারপর শিল্পকলা বা অন্য কোনোভাবে প্রদর্শিত হলে প্রচার করা হলে তা থেমে থাকতে পারে না। পৃথিবীর সব কিছুরই একটি উৎস থাকে, ঝরনা থাকলেই নদী হবে এটাই নিয়ম।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত