প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাংগঠনিক সফরের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের দ্বন্দ্ব সমাধান করা হবে: হানিফ

হ্যাপী আক্তার: আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল হক হানিফ বলেছেন, আওয়ামী লীগে মাঠ পর্যায়ে ছোটখাট যে দন্দ আছে তা সাংগঠনিক সফরের মধ্য দিয়ে নেতাকর্মীদের সমস্যার কথা শুনে তাদের কোথায় কী সমস্যা আছে চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে।

বেশ কয়েকটি জায়গায় দেখা গেছে যে অন্তর দন্দ আদর্শ দিক থেকে না হয়ে, ব্যাক্তিগত স্বার্থ আদায় বা ব্যাক্তিগত পর্যায় চলে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দন্দ নিরসনের কি ধরণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে বিবিসি বাংলাকে মাহাবুবুল হক হানিফ এসব কথা  বলেন। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তকে কেউ যদি অমান্য করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে তাহলে দল তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দলীয় অভ্যন্তরিন দন্দ ও কোন্দল মেটাতেই কি সাংগঠনিক সফরের মূল উদ্দ্যেশ? 

বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে মাহাবুবুল হক হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগের যে সারা দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলায় সাংগঠনিক কর্মসূচির সফর ঠিক করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই দুটি লক্ষ্য রয়েছে, প্রথমটি হলো আমাদের সংগঠনকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের মাঝে আওয়ামী লীগ সরকারের ৯ বছরের সফলতার সঠিক তথ্য তুলে ধরা এবং তার পাশাপাশি বিএনপি ও জামায়েত তারা ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের রাজনীতি এবং তার পাশাপাশি ক্ষমতার বাইরে তাদের জালাউ পুরাউ, দুর্নীতির উৎপাত ও তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড তুলে ধরাই মূল লক্ষ্য।

তিনি আরো বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচন বিএনপির সাথে সুসম্পর্ক করতেই আমাদের এই সাংগঠনিক সফর। জনগণেন কাছে যদি সঠিব তথ্য তুলে ধরা যায় তাহলে, জনগণ উন্নয়নের ধারাবহিকতা এবং শান্তির জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আশ্বাস এবং তার দলের প্রতি আশ্বাস প্রকাশ করেবেন জনগণ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ একটি বিশাল দল সারা দেশে লাখ লাখ নেতাকর্মী আছে। বিভিন্ন স্তরে যোগ্য নেতাকর্মী থাকার কারণেই অনেক সময়ে নিজ দলের মধ্যে ছোটখাট দন্দ এবং বিতর্ক কোন্দল তৈরি হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য থাকবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় সুনিশ্চি করা। তার সাথে দলকে গঠন করার জন্য আমাদের ছোটখাট দন্দগুলোকে নিরসন করা। আমরা আশা করি আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই মাঠ পর্যায়ে যে দন্দ তা নিরশন করে দলকে আগামী জাতীয় সংসদ জন্য প্রস্তুত হয়েই মাঠে নামতে সক্ষম হবো।

সাংগঠনিক সফরে ১৫টি দল নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কাজ করবে বলে বলা হচ্ছে। এই দলগুলো বাইরে মূলত আর কি কি কাজ করবে?

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাংগঠনিক সফরটি ঠিক করা হয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে। এই টিম করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সদস্যমন্ডলীসহ সভাপতিমন্ডলীর সদস্য যারা আছেন তাদের নেতৃতেই ১৫টি দল গঠনের মধ্য দিয়ে তৃণমূলের নেতামর্কীদের নিয়ে দল গঠন করা হয়েছে। যাদের নেতৃত্বেই সারা বাংলাদেশে এই তৎপরতা চলবে। এর বাইরে যে সকল সংগঠনগুলো আছে আওয়ামী লীগ দলকে বিজয় সুনিশ্চিত করার জন্য আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কর্মসূচি পালন করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত