প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঢাকায় সিটি নির্বাচন নিয়ে জটিলতা
সরকার ও ইসির যা করণীয় ছিল তা করেনি: বদিউল আলম (ভিডিও)

জান্নাতুল ফেরদৌসী: সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, আমাদের আশঙ্কাই সত্যি হলো। নির্বাচন থেকেই গেলো। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যা করণীয় ছিল তারা তা করেনি। নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বলে জটিলতাগুলোকে দূর করা, তা করেনি। যমুনা টিভি

ঢাকায় তফসিল-২ আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেছেন নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন বন্ধে কমিশনের ব্যর্থতা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম নুরুল হুদা। আইনি লড়াইয়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, তফসিলের আগে জটিলতা নিরসনে স্বদিচ্ছা দেখায়নি সরকার ও নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের সার্থে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

২০১৪ সালে ঢাকা দুই সিটিতে নির্বাচন করার পর এতে যুক্ত হয় ১৮টি ওয়ার্ড। বর্ধিত এলাকায় নির্বাচন ও বিজয়ীদের মেয়াদ বিষয়ে সিটি করপোরেশন আইনে প্রজ্ঞাপন কিংবা আইন সংশোধন করে বিষয়টি পরিষ্কার করেনি সরকার।

বিভিন্ন মহলের আশঙ্কার পরও ৯ জানুয়ারি দুই সিটিতে তফসিল দেয় কমিটি। নির্বাচক বিশ্লেষকদের অভিযোগ জেনে শোনেই এসব জটিলতা নিরসন করা হয়নি।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের আশঙ্কাই সত্যি হলো। নির্বাচন থেকেই গেলো। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের যা করণীয় ছিল তারা তা করেনি। সরকারের করণীয় ছিল আইনের জটিলতাগুলো দূর করা। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সম্পর্কিত আরো কিছু করণীয় ছিল। নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বলে জটিলতাগুলোকে দূর করা।

যদিও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দাবি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিল দিয়েছে কমিশন। এ ক্ষেত্রে কমিশনের কিছুই করার নেই। নির্বাচন বন্ধে আইনি রায়ের কপি পেয়েছে কমিশন। তবে আইনি লড়াইয়ের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় নি বলে জানান সিইসি। আইনজীবীর সাথে আলোচনার পর করণীয় ঠিক করা হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেন, দায়িত্ব অনুযায়ী সিডিউল ঘোষণা করা হয়েছিল।

নির্বাচনের স্বদিচ্ছা থাকলে এখনই আইনি লড়াইয়ের পরামর্শ দিয়েছে সুজন। পাশাপাশি সংসদের বর্তমান অধিবেশনে আইন সংশোধন করা যেতে পারে বলে মত প্রতিষ্ঠানটির।

https://youtu.be/4bqJAof1UFA

সর্বাধিক পঠিত