প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমার সফর থেকে কী পেলেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

হাসান : বৃহত্তর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে সপ্তাহান্তে (২০-২২ জানুয়ারি) মিয়ানমার সফর করলেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এই সফর এবং এর ফলে সম্পাদিত চুক্তিগুলো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাড়তে থাকা চলমান রুশ-মিয়ানমার সামরিক সহযোগিতার ওপর আলোকপাত করেছে।

রুশ-মিয়ানমার প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। মিয়ানমার বেশি বেশি হারে রুশ সামরিক সরঞ্জাম কিনছে, রুশ স্কুলগুলোতে তাদের সামরিক কর্মকর্তাদের পাঠাচ্ছে। পাশ্চাত্যের অবরোধের কার্যকারিতা কমানো এবং বেইজিংয়ের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসের লক্ষ্যে মিয়ানমারের কাছে রাশিয়া হলো একটি বিকল্প।

ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়াও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে তার সম্পর্ক জোরদার করতে চাচ্ছে। দুই দেশ সফর বিনিময়, সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির কথা ঘোষণা করে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছিল ২০১৬ সালের নতুন সামরিক সহযোগিতা চুক্তি। এতে সামরিক রসদ, শান্তিরক্ষা, অনুসন্ধান, উদ্ধার ও নৌসহযোগিতার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হয়।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সার্গেই শোইগু ২০-২২ জানুয়ারি মিয়ানমার সফর করেন। শোইগু এবং তার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং হ্লালাইংসহ মিয়ানমারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করেন। তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও যোগ দেন।

মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় মস্কো ও নেপিয়াডোর মধ্যে হওয়া জঙ্গিবিমান চুক্তি। রুশ উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেজান্ডার ফোমিন জানান, সফরকালে মিয়ানমার ছয়টি সু-৩০ বিমান কেনার চুক্তি করেছে। দুই দেশ তাদের সামরিক ও কারিগরি সহযোগিতা আরো বাড়াতেও সম্মত হয়েছে।

তবে এই সফরকালে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও ঘটে থাকতে পারে। ২০১৬ সালের চুক্তিতে থাকা কিছু উপাদান কার্যকরের ব্যবস্থা গ্রহণ করা অস্বাভাবিক কিছু নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ওই চুক্তিতে মিয়ানমারের বন্দরগুলোতে রুশ নৌতরী প্রবেশের কথা বলা হয়েছিল। শোইগু বলেন, মিয়ানমারে রুশ নৌবাহিনীর সফরের ব্যাপারে মস্কো ‘অত্যন্ত গুরুত্ব’ দিয়ে থাকে। অর্থাৎ তিনি আশা করছেন, মিয়ানমারের রণতরীও রাশিয়া সফর করবে। তবে এই চুক্তির ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।-দি ডিপ্লোম্যাট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত