প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঢাবির হামলার ঘটনা আওয়ামী লীগের চরিত্র: ফখরুল

মাঈন উদ্দিন আরিফ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের চরিত্র বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকো‘র তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বনানীতে কোকোর কবর জিয়ারতও পুস্পমাল্য অপর্ন করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কবরস্থানের বাইরে ‘আরাফাত রহমান কোকো যুব ক্রীড়া পরিষদ’ ও ‘ ‘আরাফাত রহমান স্মৃতি পরিষদের’ যৌথ উদ্যোগে ‍গরীব ও দুঃস্থদের মধ্যে শীতবস্ত্র ও বিতরণ করেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যা ঘটেছে তা আওয়ামী লীগের চরিত্র। এটা ছাত্রলীগের নতুন কোনো ব্যাপার না। তারা বহুবার শিক্ষকদেরকে মেরেছে, ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মেরেছে।

যখনই তাদের বিরুদ্ধে কেউ অবস্থান নিয়েছে বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ডিক্টোরিয়াল অথোরিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে তখনই তাদের হাতিয়ার হয়ে ছাত্রলীগ আক্রমন করেছে গণতন্ত্রগামী মানুষের ওপর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজকে ক্ষমতাসীন সংগঠনটি এই অবস্থা চালু করেছে। এটা শুধু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নয়, সমগ্র দেশে, সমগ্র সমাজে, সমগ্র রাষ্ট্রে তারা জোর করে, মাস্তানি করে, গুন্ডামী করে ক্ষমতা দখল করে থাকতে চায়।

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারে ব্যাতিরেখে দেশের জনগন ভোটে যাবে না। সরকার নানাভাবে চেষ্টা করছে জাতীয় নির্বাচন যাতে না হয়। সত্যিকার অর্থে যদি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়, তাহলে তারা আগামীতে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। সেজন্যই তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে সংবিধান সংশোধন করেছে।

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনকালীন সময়ে লেভেল প্ল্যায়িং ফিল্ড চাই, সমান সুযোগ চাই। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি, নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া দেশে নির্বাচনে জনগন অংশগ্রহণ করবে না।

যতই নিপীড়ন-নির্যাতন করা হোক না কেনো নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি থেকে জনগণকে দূরে সরানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন ফখরুল।

এই সময়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, কেন্দ্রীয় নেতা শামা ওবায়েদ, আমিনুল হক, মীর সরফত আলী সপু, শাহ নুরুল কবির শাহিন, কাইয়ুম চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম বাবু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

২০১৫ সালে ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কোকো মারা যান। তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালনে বিএনপির উদ্যোগে নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানে চেয়ারপারসনের বাসা ‘ফিরোজা’য় এবং চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মিলাদ মাহফিল এবং কবরপ্রাঙ্গনে কোরান পড়ার আয়োজন করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত