প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্টেম সেল কেলেঙ্কারিতে নোবেলজয়ী ইয়ামানাকার নাম

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম : গত বছর ২৩ জানুয়ারি বিজ্ঞান সাময়িকী ‘সেল’ এর সহযোগী জার্নাল ‘স্টেম সেল রির্পোট’ এ প্রকাশিত প্রবন্ধ নিয়ে গবেষক কোহেই ইয়ামামিজুর বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের তদন্ত শেষ হওয়ার পর এক সংবাদ সম্মেলনে নোবেল জয়ী শিনিয়া ইয়ামানাকা নিজেই এ তথ্য জানান। যা নিয়ে পুরো জাপান জুড়ে আলোচনার ঝড় চলছে।
কিয়োতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টাল ফর আইপিএস সেল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশনের (সিরা) পরিচালক পদে থাকায় তার তত্ত্বাবধানে ওই প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয় বলে জানান ইয়ামানাকা। প্রবন্ধটিতে তার নাম না থাকলেও কেবলমাত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান হওয়ায় কিয়োতো বিশ্ববিদ্যালয় তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন তিনি।
গত বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি সিরার বিশেষ সহকারি অধ্যাপক কোহেই ইয়ামামিজুর গবেষণা প্রবন্ধ ‘ইন-ভিট্রো মডেলিং অব ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার উইথ হিউম্যান আইপিএস ড্রাইভড ইন্ডোথেলিয়াল সেলস, পেরিসাইটস, নিউরন আন্ড অ্যাস্ট্রোসাইটস নচ সিগন্যালিং’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। ওই গবেষণা প্রবন্ধে ব্যবহৃত ছয়টি চিত্র এবং অতিরিক্ত ছয়টি চিত্রের তথ্যে কৃত্রিমভাবে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। সোমবার সংবাদ সম্মেলন করেন অধ্যাপক ইয়ামানাকা। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই লজ্জিত যে আমার অধীনে একটি মিথ্যা গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। যা অসততার নিকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। আমরা দেখেছি যে প্রধান গবেষক কোহেই ইয়ামামিজু প্রবন্ধের আকর্ষণ বাড়াতে মিথ্যা তথ্য জুড়ে দিয়েছেন, যা পরবর্তীতে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে জাপানের প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিকেন থেকে হারুকো ওবাকাতার নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে স্টেমুলাস ট্রিগারড অ্যাকুজুয়েশন অব প্লুরোপুটেন্সি (স্ট্যাপ) নামক এক প্রকার স্টেম সেল নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন। রয়টার্স

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত