প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দাভোস সম্মেলনে যাচ্ছেন না ট্রাম্প

ডেস্ক রিপোর্ট: মার্কিন প্রশাসনে শাটডাউন বা অচলাবস্থার কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্ব নির্ধারিত দাভোস সম্মেলনে যাচ্ছেন না। বুধবার সুইজারল্যান্ডে পৌঁছানোর কথা ছিল তার। তবে সোমবার ট্রাম্পের মুখপাত্র হোগান গিডলে ডেইলি মেইলকে জানান, এই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।

তবে এর আগে অবশ্য হোয়াইট হাউস থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন ট্রাম্প। তবে শেষ পর্যন্ত দেশজুড়ে অচলাবস্থার মধ্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

এদিকে শাটডাউন শুরুর পর প্রথম কর্মদিবস শুরু হচ্ছে আজ। সোমবার অচলাবস্থার প্রথম দিনই কাজে যোগ দিতে পারছেন না কয়েক লাখ সরকারি চাকরিজীবী। মার্কিন সিনেট অস্থায়ী বাজেট বিল পাস করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শাটডাউন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেক কর্মচারীকে বেতন দেওয়া হবে না। তবে পরিস্থিতি উত্তরণে সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে সিনেটে ভোটাভুটির কথা রয়েছে।

এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাজেট বাড়ানো সংক্রান্ত একটি বিলে সিনেটররা একমত হতে না পারায় শনিবার স্থগিত হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিশ্লেষণ থেকে দেখা গেছে, বাজেট নিয়ে সিনেটরদের ভাগ হয়ে যাওয়ার মূল কারণ অভিবাসন নীতিতে প্রস্তাবিত পরিবর্তন। যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ তরুণ অভিবাসীদের সামাজিক সুরক্ষায় সাবেক ওবামা প্রশাসন ঘোষিত ‘ড্রিমার কর্মসূচি’ পরিচালনায় বরাদ্দকৃত অর্থ নিয়ে দুই ভাগে ভাগ হয় সিনেট। ওই কর্মসূচির আওতায় যে সাত লাখ তরুণ-তরুণী সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পেয়েছে, তাদের ব্যাপারে কোনও স্থায়ী সমাধানকে সমঝোতার শর্ত হিসেবে তুলে ধরে ডেমোক্র্যাটরা।

অন্যদিকে রিপাবলিকান প্রতিনিধিরা পুরো বিষয়টিকে সাময়িক সমাধান হিসেবে দেখতে আগ্রহী। এ নিয়ে রিপাবলিকানদের সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাজেটের সমঝোতা প্রস্তাব পাসের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ৬০ ভোটও মেলেনি। কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান সিনেটরদের ভোটের সংখ্যা ৫১টি।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে ‘নিউক্লিয়ার অপশন’ বেছে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট বিষয়ের বিতর্কের ইতি টানতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা পয়েন্ট অব অর্ডারে এই প্রস্তাব তুললে তা মেনে নেওয়া হয়ে থাকে। মার্কিন কংগ্রেসে এখন পর্যন্ত দুই বার ২০১৩ ও ২০১৭ সালে এ ধরনের ভোটাভুটি হয়েছে। দুই বারই রিপাবলকিান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমঝোতা থাকায় তা কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েনি। সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত