প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হেলে পড়া ভবনের বাসিন্দারা আতঙ্কে

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : লালবাগের হেলে পড়া ভবনের বাসিন্দারা চরম আতঙ্ক ও দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিন পার করছেন। একইসঙ্গে আতঙ্কে রয়েছেন প্রতিবেশীরাও।

এদিকে গতকাল সোমবার আরেকটি ৫তলা ভবনও হেলে পড়েছে। সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ভবনটিতে ঝুঁকিপূর্ণ সাইনবোর্ড লাগিয়ে বাড়িটি খালি করে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ভবনটি যদি পাশের ভবনে হেলে না পড়ে সামনে হেলে পড়ত, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। হেলে পড়া ভবনের নিচ দিয়ে হেঁটে যেতেও এখন ভয় করছে।

ভবনটির তিনতলার বাসিন্দা মনির বলেন, নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে পরিবারের সবাইকে নিয়ে আত্মীয়ের বাসায় উঠেছি। ঘরের এত আসবাবপত্র, সব কি আত্মীয়ের বাসায় রাখা যায়? মাসের এমন সময় এ ঘটনা ঘটল যে এখন বাসা পাওয়াও মুশকিল। পাশের ভবনের ভাড়াটিয়ারা জানান, আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। একটি দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার কে নেবে। হেলে পড়া পাচঁতলা ভবনটির মালিক হাজী শওকত আলীর নাতি এহসানুল হক জানান, পাচঁতলা ভবনটির প্রতি তলায় দুটি ইউনিট করে মোট ১০ টি পরিবার থাকতেন। ধীরে ধীরে সবাই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। বুয়েট টেস্টের ফলাফলের পর রাজউকের নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনটির সংস্কার বা নির্মাণ কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি।

গত রোববার লালবাগের ২/ই আরএনডি রোডের একটি পাঁচতলা ভবন হেলে পড়ে। এদিন সকালে লালবাগ কেল্লার মোড় সংলগ্ন ফজলুল হক আমিনীর বাড়ির বিপরীত দিকের ওই ভবনটির ওপরের অংশ হেলে পাশের ভবনে লেগে যায়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন লালবাগ থানার ওসি, ফায়ার সার্ভিস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্মকর্তারা। পরে রাজউক ভবনটি সিলগালা করে দেয়। তবে সোমবার সকালে থানা পুলিশের অনুমতিতে ভবন মালিক তালা খুলে দিলে ভাড়াটিয়ারা প্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে নেন।

লালবাগ থানার ওসি সুবাস কুমার পাল জানান, ভবনটি সিলগালা করে দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। তবে ভবনটির বাসিন্দারা সকল মালামাল সরিয়ে নিতে পারবেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত