প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যাংক কমিটি গঠনে কোনো পদক্ষেপ নেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া: ব্যাকিং খাতের দুর্নীতি যেন থামছেই না। অনিয়ম এবং দুর্নীতিতে বিপর্যস্ত ব্যাংকিং খাত এখন মাথা ব্যাথার বড় কারণ। পাশাপাশি কমিশন গঠন করে উত্তরণের পথ থাকলেও, সেই পদক্ষেপ নেই অর্থ মন্ত্রণালয়ের। আমলে নেওয়া হচ্ছে না ১৯৯৯ সালের ব্যাংকিং সংস্কার কমিটি প্রতিবেদনের সুপারিশ। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে ব্যাংকিং খাতের সংস্কার দরকার।

শুধু রাষ্ট্রয়াত্ত্ব ব্যাংক নয়, অনিয়মে আক্রান্ত এখন বেসরকারি কয়েকটি ব্যাংকও। মূলধনের ঘাটতি, ঋণ খাতে দুর্নীতি এবং জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে ব্যাংকাররা। যতদিন যাচ্ছে যেন বাড়চ্ছে অনিয়মের মাত্রা। লাগাম ধরার কোনো পদক্ষেপও নেই ।

২০১৫-১৬ অর্থ বছরের বাজেট বক্তৃতায় ব্যাংকিং কমিটি গঠনের কথা দেওয়া হয়। কিন্তু কথা রাখেনি অর্থমন্ত্রী।

ব্যাংকিং খাত সুসংহত করতে এর আগে বেশ কয়েকটি সংস্কার কমিটি গঠন করে সরকার। ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে, ১৯৯৯ সালে করা হয় ব্যাংক কমিটি। তারপর খেলাপি ঋণে শৃঙ্খলা আনতে ২০০২ সালে করা হয় আলাদা একটি কমিটি।  ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে তখনই সতর্কতা অবলম্বন করার সুপারিশ ছিল। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কোনো উদ্যোক্তা প্রস্তাবিত ব্যাংকের মূলধন না দিলে বিধি নিষেধ দেওয়া হয়। ব্যাংক স্থাপনের পর শেয়ার হস্তান্তরেও কঠিন শর্তের প্রস্তাব আসে তখন।

এছাড়া একই পরিবারের সদস্যরা ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ক্রয়ের ক্ষেত্রেও আপত্তি আসে। পাশাপাশি একই পরিবারের একাধিক সদস্য পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাব করে কমিটি।

অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালনার বিষয়ে যে রীতিনীতি ও বিধিনিষেধ চালু হয়েছে আছে, আমরা সেটি আরও শক্ত না করে আরও শিথিল করে দিচ্ছি।

সুপারিশে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদে সরকারি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ কমিয়ে আনতে প্রস্তাব করে কমিটি। এছাড়া পরিচালক নিয়োগে জাতীয় ব্যাংকিং উপদেষ্টা কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। ব্যাংকিং খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সংস্কার কমিশন গঠনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না অর্থ মন্ত্রণালয়।

সূত্র : যমুনা টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত