প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমাদের দেশের রাজনীতি ও বাজেট ভিন্ন রকম

ড. মির্জা আজিজুল ইসলাম : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট বাজেটটি বন্ধ হওয়া তেমন কোনো বড় বিষয় নয়। শেষ পর্যন্ত এটির একটি সমাধান হবে। সাময়িকভাবে কয়েকটি দপ্তর বন্ধ রাখা হয়েছে। এটির জন্য তাদের অর্থনীতিতে কোনো ধরণের প্রভাব পড়বে বলে আমার মনে হয় না। বিষয়টি হচ্ছে, যে সন্তানগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ইলিগালি আসছে, তাদের দেশ থেকে বিতারিত করতে চাচ্ছে ট্রাম্প। কিন্তু ডেমোক্রেটরা চাচ্ছে তারা যেন দেশে থাকে। এটির জন্য বাজেটের বিরোধীতা করছে ডেমোক্রেটরা।

তারা চাচ্ছে বারাক ওবামা অবৈধভাবে আসা সন্তানদের বৈধ করে দিয়েছেন। তাই তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকবে। না হলে তারা বাজেটে সাপোর্ট করবে না। বাজেট পাশ করানোর জন্য যে মেজরিটি প্রয়োজন সেটি নেই ট্রাম্পের। সে কারণে তার বাজেটের বিপক্ষে ভোট পড়েছে বেশি। আমাদের দেশের রাজনীতি ও বাজেট ভিন্ন রকম। এখন আমাদের দেশে বিরোধী দল নেই বললেই চলে। বাজেট কি করল বা কেন করল এটি দেখার মতো কেউ থাকে না। বিরোধী দল থাকলেও বাজেট সরকারী দলের সিদ্ধান্তেই হত।

বিরোধী দলের কিছু করার থাকতো না। আবার আমাদের দেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কেউ সরকারের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়, তাহলে তার পার্লামেন্টের মেম্বারশিপ চলে যাবে। এই ধরনের আইন থাকলে কেউ তো আর সরকারের বিপক্ষে কথা বলার সুযোগ থাকে না। তাই আমাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রকে মেলানো যাবে না।

পরিচিতি : অর্থনীতিবিদ
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত