প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘খালেদার জোড়াতালির রাজনীতি জনগণ আর দেখতে চায় না’

শাকিল : বিএনপি-জামায়াত জোটের কঠোর সমালোচনা করেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। তাদের ভাষ্য, ‘বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া নিজে জোড়াতালির রাজনীতি করেন বলেই পদ্মা সেতুতে জোড়াতালি দেখেন। স্বাধীনতাবিরোধী, জঙ্গি, সন্ত্রাসীদের নিয়ে তার জোড়াতালির রাজনীতি এ দেশে আর চলবে না। দেশের জনগণ তা আর দেখতে চায় না।’ রবিবার (২১ জানুয়ারি) রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় তারা এসব কথা বলেন।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেন, ‘যারা আন্দোলনের নামে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করতে পারে, দেশের সম্পদ ধ্বংস করে তারা যাতে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

বিএনপি-জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করে সাবেক এই মন্ত্রীর ভাষ্য, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বিশ্বকে তরুণ প্রজন্মের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছেন। ফলে নবীনদের সামনে অমিত সম্ভাবনার দুয়ার খুলে গেছে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীসহ সব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে, বিচারহীনতার কলঙ্ক মুছে দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সারাবিশ্বে প্রধানমন্ত্রী সারাবিশ্বে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’

দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে দেশবাসী আগামী নির্বাচনে আবারও ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী বানাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ক্ষমতাসীন সংসদ সদস্যরা। ডা. দীপু মনির মন্তব্য, ‘দেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নিতে দেশবাসী আবারও তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন জানাবেন আগামী নির্বাচনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও প্রধানমন্ত্রী হবেন।’

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ চৌধুরীর কথায়, ‘বিএনপি-জামায়াত জোটের বল্লাহীন সন্ত্রাস-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই দক্ষ হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের মহাসড়ক দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। খালেদা জিয়া ও ইউনূস বাহিনীর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান।’

খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাপের আমিনা আহমেদ। তিনি বললেন, ‘খেলাপি ঋণ কঠোরভাবে আদায় করতে পারলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। খেলাপি ঋণ আদায় করতে পারলে আরেকটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হবে। বাজার সিন্ডিকেট ও মুনাফাকারীদেরও শক্ত হাতে দমন করতে হবে।’

প্রশাসনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের সম্পর্কে ও আগামী নির্বাচন বানচালের কোনও ষড়যন্ত্র যেন বাস্তবায়ন হতে না পারে সেজন্য সজাগ ও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন ন্যাপের আমিনা আহমেদ। আলোচনায় আরও অংশ নেন সরকারি দলের মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, বেগম লুৎফুন্নেসা, আবুল কালাম মোহাম্মদ আহসানুল হক, সফুরা বেগম। বাংলা ট্রিবিউন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত