প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কীভাবে শাটডাউন থেকে বেরোবে যুক্তরাষ্ট্র?

কামরুল আহসান : যুক্তরাষ্ট্রের কেউই চায়না সরকারি কার্যক্রম স্থবির হয়ে থাকুক। কিন্তু, হঠাৎ প্রায় অচলাবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার আশু কোনো সমাধানের পথও যেন কারো জানা নেই। ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাজেট বাড়ানো সংক্রান্ত একটি বিল নিয়ে সিনেটররা ঐকমত্যে পৌঁছতে না পারার কারণে গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কার্যক্রমে।

ইতোমধ্যেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সামরিক বাহিনী থেকে স্টক মার্কেট এবং পর্যটন খাতেও। প্রতিদিন ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে রিপাবলিকান সিনেটরদের সাথে ডেমোক্রেট সিনেটরদের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে, প্রচুর কথাবর্তা চলছে, কিন্তু, সমাধানে পৌঁছানো যাচ্ছেনা।

মার্কিন প্রশাসন এ অচলাবস্থাকে সপ্তাহব্যাপীও গড়াতে চাচ্ছেন না। কারণ, সর্বশেষ ২০১৩ সালে ১৬ দিনের জন্য এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো। এ ধরনের পরিস্থিতিতে জাতীয় উদ্যান, জাদুঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা বন্ধ করে দেয়া হয়। এমন কি পাসপোর্ট ও ভিসা প্রক্রিয়াও বন্ধ হয়ে যায়। তখন পর্যটনখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। ২০১৩ সালে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান সদস্যরা বারাক ওবামার স্বাস্থ্য নীতিতে অর্থায়নে রাজি না হওয়ায় ১৬ দিন শাটডাউন ছিল।

ডেমোক্রেট সিনেট নেতা চেক শুমার বলেছেন, গত শুক্রবার যখন ট্রাম্পের সঙ্গে তার দেখা হলো তিনি তাকে বারবার মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল তোলার বাজেট কিছুটা কমাতে বলেছিলেন। বাজেট পরিচালক মাইক মালভেনি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট শুমারকে বলেছেন দেয়ালটি নির্মাণ করতে ২০ বিলিয়ন ডলার বাজেট লাগবে। কিন্তু, শুমার জানিয়েছেন, বাজেটটি বড়জোর ১.৬ বিলিয়ন ডলার হতে পারে।

ডেমোক্রেট দলের অন্য এক সিনেটর জানিয়েছেন, আমরা পুরো বাজেটটি বাতিল করিনি। আমরা কেবল কিছু কমানোর পক্ষে ছিলাম। শুমার এবং ট্রাম্প আলোচনা সাপেক্ষে একটি সমাধানে পৌঁছাবেন। রিপাবলিকান দলের অন্যান্য সিনেটরদের সঙ্গে ডেমোক্রেট সিনেটরদের মুর্হুমুহ আলোচনা চলছে। আশা করা যাচ্ছে, শীঘ্রই এর জট খুলবে। এ কথা সত্য, এ অচলাবস্থা কাটানোর জন্য প্রত্যেককেই কিছু ছাড় দিতে হবে। সেøট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত