প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মিয়ানমারে কাউকে জোর করে পাঠনো হবেনা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তরিকুল ইসলাম : পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, যে সকল রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে স্বেচ্ছায় যেতে চাবে আমরা শুধু তাদেরকেই পাঠানোর ব্যাবস্থা করবো। কাউকে জোর করে ঠেলোতো আর পাঠানো যাবেনা। আমরা সেটা করবোও না। রাখাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরই রোহিঙ্গাদের পাঠানো হবে।
রোববার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশি কূটনীতিকদের দুই পর্বে রোহিঙ্গা বিষয়ে ব্রিফ করার পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রথম পর্বের ব্রিফিংয়ে ছিলেন অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মান, ইতালি, তুরস্ক, রাশিয়া, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এবং জাতিসংঘ, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর), বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ফাও), জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও রেডক্রসের প্রতিনিধিরা।
দ্বিতীয় পর্বের ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে মিশর, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, মরক্কো, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সরা।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জন্য আবাসন তৈরিতে ভারত, জাপান ও চীন কাজ করছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৩ জানুয়ারি রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু হবে কি-না তা এখনই বলবো না। মিয়ানমার সীমান্তের পাঁচ দেশ ভারত, কম্বোডিয়া, লাওস, চীন ও বাংলাদেশকে নিয়ে রাখাইন পরিস্থিতি দেখানো হয়েছিল। তারা আবারও পরিস্থিতি এই দেশগুলোকে দেখাতে চায়। এবার আমিও সেখানে পরিদর্শনে যেতে পারি।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের যে কয়েকটি চুক্তি সই হওয়ার দরকার ছিল সেগুলো সব হয়ে গেছে। এখন আর কোনো ঝামেলা নেই। রোহিঙ্গাদের পাঠানো হবে পরিবারভিত্তিক। সেভাবেই ফরম বিতরণ করা হচ্ছে। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের থাকার উপযোগী করে তৈরি করতে বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। গ্রামগুলোকে তাদের থাকার উপযোগী করা হচ্ছে। এতে কওে তাদের মধ্যে আস্থা ফেরত আসবে।
প্রত্যাবাসনের জন্য সরকার জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করবে জানিয়েছেন মাহমুদ আলী বলেন, চুক্তির খসড়া নিয়ে আমরা জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করছি। চুক্তি সই হলে তারা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে। মিয়ানমারে এখন আন্তর্জাতিক রেডক্রস কাজ করছে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থাকে যুক্ত করতে মিয়ানমার সরকারও নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। এছাড়া আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকে এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার জন্য প্রস্তাব করেছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত