প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ক্ষতস্থানে নবীজির চিকিৎসা পদ্ধতি

সাইদুর রহমান : যেকোন আঘাত অথবা ধারালো জিনিস দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হলে নবীজি সা. মেহেদী ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করেছেন। হাদীস অনুযায়ী আমল করলে ফল অবশ্যই পাওয়া যাবে।

এছাড়া অন্য আরেক হাদীসে এ উম্মতকে হিজামাহ (রক্তমোক্ষণ) বা শিংঙ্গা লাগানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেননা এর মাধ্যমে শরীরের যাবতীয় দূষিত রক্ত বের হয়ে যায়, এবং পেশী শক্তিশালী হয়।

ঔষধ হিসেবে মেহেদীর প্রয়োগ শিরোনামে তিরমিযী শরীফে এসেছে, আলী ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাহ.) হতে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খাদিমা (সেবিকা) ছিলেন। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দেহে কোন তলোয়ার বা দা-এর আঘাতে ক্ষত হতো, তিনি তাতে মেহেদী লাগানোর জন্য আমাকে নির্দেশ দিতেন। তিরমিযী, হাদীস নং ২০৫৪। ইবনু মা-জাহ (৩৫০)।

শিংঙ্গা লাগানো প্রসঙ্গে হাদীসে এসেছে, ইবনু মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মিরাজের রাত প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, এই রাতে ফেরেশতাদের যে দলের সম্মুখ দিয়েই তিনি যাচ্ছিলেন তারা বলেছেন, “আপনার উম্মাতকে হিজামাহ তথা শিংঙ্গা লাগানোর নির্দেশ দিন”। তিরমিযী, হাদীস নং ২০৫২ , ইবনু মা-জাহ (৩৪৭৭)।

অন্য হাদীসে এসেছে, আনাস (রা.) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘাড়ের দুই পাশের শিরায় এবং ঘাড়ের কাছাকাছি পিঠের ফুলা অংশে রক্তক্ষরণ করাতেন। তিনি মাসের সতের, উনিশ ও একুশ তারিখে রক্তক্ষরণ করাতেন। তিরমিযী, হাদীস নং ২০৫১, ইবনু মা-জাহ (৩৪৮৩)

শরীরের দূষিত রক্ত বের করার বিষয়ে হাদীসে (শেষাংশে) এসেছে, ইকরিমা (রাহ.) বলেন, ইবনু আব্বাস (রা.)-এর তিনটি গোলাম ছিল। এরা রক্তমোক্ষণের কাজ করত। এদের মধ্যে দুটি গোলাম তার ও পরিবারের উপার্জনের উদ্দেশ্যে অর্থের বিনিময়ে রক্তমোক্ষণ করত এবং অপরটি ইবনু আব্বাস (রা.) ও তার পরিবারের লোকদের রক্তমোক্ষণ করত।মবর্ণনাকারী বলেন, ইবনু আব্বাস (রা.) বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, রক্তমোক্ষণে অভিজ্ঞ দাস কতইনা ভাল! সে খারাপ রক্ত বের করে দিয়ে (উপার্জনের মাধ্যমে) পিঠের বোঝা হালকা করে এবং চোখের ময়লা দূর করে। ২০৫৩, ইবনু মাজাহ (৩৪৭৮)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত