প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে কেন্দ্রিয় মনিটরিং জরুরি

রুহিন হোসেন প্রিন্স : চাল, পিয়াজ ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য , বাণিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে প্রত্যেকটি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেকটি জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে, যেসব সিন্ডিকেট ব্যবসায়িরা চাল, পেয়াজ ও অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি করে তাদের উপর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।

এখানে জেলা প্রশাসককে বলা সত্ত্বেও কোন কার্যকর হবে না। কারণ, চাল পেয়াজ ও নিত্য প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের দামসহ সঠিক ভাবে পুরো বাজার নিয়ন্ত্রন রাখতে হলে একটি কেন্দ্রিয় মনিটরিং থাকা জরুরি। টিসিবিকে শক্তিশালী করা খুবই জরুরি। খাদ্য মজুদ করার জন্য যথাসময়ে সরকারি স্টক গড়ে তোলা, কেন্দ্রিয় রেশন ব্যবস্থা করা জরুরি, গণবন্টন ব্যবস্থা করা জরুরি। এসব কিছু কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রন করা হলে নিত্যপণ্যের দাম কমানো সম্ভব হবে। এ সব কিছু কেন্দ্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারলে জেলা প্রশাসকের পক্ষে নিত্যপণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয়।

অনেক সময় চাল, পেয়াজ ও অন্যান্য দ্রব্য মজুদ করে দাম বৃদ্ধি করে কিছু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ি। এই দাম বৃদ্ধির সাথে জেলা প্রশাসক দাম কমাতে পারবে না। কারণ এই সিন্ডিকেট ব্যবসায়িরা বড় বড় রাজননৈতিক দলের সাথে জড়িত থাকে । এই রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের সাথে জড়িত থাকার কারণে জেলা প্রশাসক কোন ভাবেই নিত্যপণ্যের দাম কমাতে পারবে না। যেমন: এবার যখন চালের দাম বেড়েছে, তখন কুষ্টিয়া অঞ্চলের কিছু চাতাল মালিক তারা এই চালের দাম বৃদ্ধি করেছে। পরে জেলা প্রশাসক সেই চাতাল মালিকগণকে ডেকেছিল কিন্তু সেই চাতাল মালিক জেলা প্রশাসক এর সাথে দেখা করে নাই। কারণ, এই চাতাল মালিকদের সাথে আমাদের মন্ত্রীদের যোগাযোগ আছে। এ কারণে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কোন নিত্যপণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয়।

পরিচিতি: সম্পাদক, সিপিবি
মতামত গ্রহণ: রাশিদুল ইসলাম মাহিন
সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

সর্বাধিক পঠিত