প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লাভজনক পেশায় জড়িত থাকার অভিযোগে দিল্লির ২০ বিধায়ক বরখাস্ত

আশিস গুপ্ত ,নয়াদিল্লি: ব্যক্তিগত লাভজনক পেশায় জড়িত থাকার অভিযোগে দিল্লি বিধানসভায় আম আদমি পার্টির ২০জন বিধায়ককে বরখাস্ত করার সুপারিশ করলো ভারতের নির্বাচন কমিশন।ফলে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিড়ম্বনা বাড়ল। আম আদমি পার্টি (‌আপ)‌ বিধায়ককে বরখাস্তের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করল নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতি যদি সেই সুপারিশে ছাড়পত্র দেন তবে ওই ২০ জন বিধায়ক পদ খোয়াবেন। আর ২০ বিধানসভায় উপ-নির্বাচন হবে।

দিল্লিতে আপের এখন যা অবস্থা তাতে ২০ জনের জিতে আসা প্রায় অসম্ভব। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় আপের সদস্য ৬৬। ২০ জন বিধায়কপদ খোয়ালেও অরবিন্দ কেজরিয়াওলের সরকারের পতন হয়ত হবে না। তবে বেশ কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখে পড়বেন কেজরি।

প্রথমত তাঁর সরকারের ওপর মানুষের ভরসা নেই তা প্রমাণ হবে। আর দলের মধ্যে বিক্ষোভের যে আবহ রয়েছে তা বিদ্রোহের রূপ নেবে।২০১৫ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লিতে ক্ষমতায় ফেরে আম আদমি পার্টি। যে সমস্ত বিধায়কদের মন্ত্রী করতে পারেননি তাঁদের সংসদীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ করা হয়।এঁরা বিভিন্ন মন্ত্রীকে পরামর্শ দেবেন বলে জানানো হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন আইনজীবী প্রশান্ত প্যাটেল। স্বার্থের সংঘাত দেখা যায় এমন পদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা থাকতে পারবেন না জানিয়ে এঁদের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি জানান তিনি। তাঁর আরও দাবি ছিল এই নিয়োগ অসাংবিধানিক।

আদালত এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের মতামত জানতে চেয়েছিল। কেজরিয়াল এবং দলের পক্ষে বারবার দাবি করা হয়, সংসদীয় সচিব হিসেবে এঁরা কোনও ভাতা নেন না। বিরোধীরা যুক্তি দেন, এই পদ তাঁদের ক্ষমতা পেতে সহায়তা করে। অভিযুক্তদের যাতে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় তার জন্য কংগ্রেস এবং বিজেপি কমিশনকে চাপ দিতে থাকে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেনের টুইট, ‘‌কেজরিওয়ালের আর মুখ্যমন্ত্রী থাকার অধিকার নেই। দুর্নীতি মামলায় তাঁর মন্ত্রিসভার অর্ধেক মন্ত্রীকে সরানো হয়েছে!‌ মন্ত্রীর মতো যাঁরা ভাতা পান তাঁদের সরানো হবে!‌ লোকপাল কোথায় গেল!‌ এই বিধায়ক এবং মন্ত্রীরা ক্ষমতা উপভোগ করেন। তাঁরা বিদেশ যান। স্বচ্ছতা কোথায়?‌’‌

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত