প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রোহিঙ্গা শূন্য হলো বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ১টি ক্যাম্প

শ.ম.গফুর, উখিয়া, কক্সবাজার: অবশেষে দীর্ঘ ৩ মাস পর রোহিঙ্গা শূন্য করা হয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির শূন্যরেখার একটি ক্যাম্প। পাঁচ দফায় ওই ক্যাম্প থেকে ২২৪৯ জনকে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত শেষ দিনে ৬০৬ জন রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করার মাধ্যমে জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাপমারাঝিরি নামক ওই এলাকাটি রোহিঙ্গা শূন্য করা হয়।গত বছর অক্টোবরের শেষের দিকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর দমন নিপীড়ন শুরু হলে ২৫ অক্টোবর থেকে সাপমারাঝিরিসহ নাইক্ষ্যংছড়ির বেশ কয়েকটি পয়েন্টে হাজার হাজার রোহিঙ্গা ঢুকে পড়ে। সেসময় মানবিক কারণে শুন্য রেখার সাপমারাঝিরি, বাহিরমাঠ, বড়ছনখোলা ও তুমব্রু কোণারপাড়ার চারটি ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয় সরকার। পরবর্তী সময়ে কিছু রোহিঙ্গা স্বেচ্ছায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্যত্র চলে গেলেও সাপমারাঝিরি ক্যাম্পে শেষ পর্যন্ত ২২৪৯ জনকে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়।

সম্প্রতি রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের সাথে চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে দ্রুতগতিতে রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়া শুরু হয়। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পার্বত্য এলাকায় রোহিঙ্গা না রাখার ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

এ ধারাবাহিকতায় রবিবার (১৪ জানুয়ারি) উপজেলার আশারতলী সাপমারাঝিরি থেকে রোহিঙ্গা স্থানান্তর কার্যক্রম শুরু হয়। সেদিন ১৯৯ জন এবং এরপর যথাক্রমে ২০৮, ৬১০, ৬২৫ সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ৬০৬ জনসহ মোট ২২৪৯ জনকে সরিয়ে ওই এলাকাটি রোহিঙ্গা শূন্য করা হলো।এ প্রসঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম সরওয়ার কামাল বলেন, সাপমারাঝিরি থেকে ২২৪৯ জনকে সরিয়ে নেয়ার মাধ্যমে ওই এলাকাটি রোহিঙ্গা শুন্য করা হলো। এরপরও যদি ওই সীমান্তে কোনো রোহিঙ্গা প্রবেশ করে বা সন্ধান মেলে তাহলে কাউকে আশ্রয় না দিয়ে উখিয়া শরণার্থী শিবিরে পাঠিয়ে দেয়া হবে।এদিকে ধারাবাহিকভাবে উপজেলার বড়ছনখোলা, বাহিরমাঠ ও তুমব্রু কোনারপাড়া থেকেও রোহিঙ্গাদের সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রশাসনের এ কর্মকর্তা।

এদিকে সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের ৩১ বিজিবির জোন কমান্ডার লে.কর্ণেল আনোয়ারুল আযীম জানান, রোহিঙ্গা শুন্য হওয়া এলাকায় ইতোপূর্বে বিজিবির কঠোর পাহারা ছিল এবং আছে। পুনরায় ওই এলাকায় রোহিঙ্গা বসতি গড়ার কোন সুযোগ নেই

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত