প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মিসিং ডাটা উদ্ধারের চিন্তা

মতিনুজ্জামান মিটু : বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের মিসিং ডাটা উদ্ধারের চিন্তা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সহযোগি প্রতিষ্ঠান ইড্রো (ইন্টারন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ডাটা রেসকিউ অর্গানাইজেশন) এর সঙ্গে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জলবায়ু মহাশাখার উপপরিচালক মো. আব্দুর রহমান বলেন, মিসিং ডাটা উদ্ধার করা গেলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডাটাবেজ আরো সমৃদ্ধ হবে।

১৯৪৮ সাল থেকে ডাটাবেজের যেসব ডাটা মিসিং হয়েছে তা অধিদপ্তরের মিসিং ডাটা রেসকিউ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উদ্ধার করা হবে। ২০১২ সাল থেকে মিটিও ফ্রান্স ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় স্থাপিত ক্লাইসিস(ক্লাইমেট ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) ডাটাবেজ এই অধিদপ্তরের আবহাওয়া উপাত্ত আর্কাইভে ব্যবহার করা হচ্ছে। জলবায়ু মহাশাখায় এই অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধিন সব আবহাওয়া ষ্টেশন (৪১ স্টেশন) ও ভূকম্পন পর্যবেক্ষণাগারের রেকর্ডকরা উপাত্তগুলো নিরিক্ষা, প্রক্রিয়াজাত এবং সংরক্ষণ করা হয়। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাহিদা মোতাবেক ওই উপাত্ত সরবরাহ করা হয়।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জলবায়ু মহাশাখার ডাটাবেজে ১৯৪৮-২০১৫ সময়ের অধিদপ্তরীয় পর্যবেক্ষণাগারে রেকর্ডকরা আবহাওয়া উপাত্ত এবং ১৯১৮-২০১৫ সময়ে অদিদপ্তরীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণাগারগুলোতে রেকর্ডকরা ভূকম্পন উপাত্তগুলো সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রতি বছরের আরবী মাসগুলোর ১ তারিখ এবং ইসলামী পর্বগুলোর তালিকা, প্রতি চন্দ্র মাসের মুন ফেজ ও নতুন চাঁদের স্থানাঙ্ক বিবরনী, এ দেশের ৬৪ জেলার দৈনিক সূর্যোদয়-সূর্যস্ত ও চন্দ্রোদয়- চন্দ্রাস্ত সময়সূচি, প্রতি বছর রমজান মাসে এদেশের প্রতিটি জেলার দৈনিক সেহেরী-ইফতারের সময়সূচি এবং সূর্যগ্রহন ও চন্দ্র গ্রহনের বিবরন প্রস্তুত করে থাকে এই মহাশাখা। এছাড়া এখানে তৈরী জ্যোতির্বিজ্ঞানীয় উপাত্ত এবং বিবরন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত