প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পানি সংকটে যমুনা ও তিস্তায় নৌ চলাচল হুমকির মুখে

রফিকুল ইসলাম, গাইবান্ধা: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনাসহ গাইবান্ধার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবগুলো নদ-নদীর পানি কমে গিয়েছে। মূলত: পানি সংকটের কারণে নৌ যোগাযোগ এখন হুমকির মুখে।

আকস্মিক পানি শূন্যতায় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা নৌ ঘাটগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন। ইতিমধ্যে অনেক নৌ ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি পানির অভাবে গাইবান্ধার ফুলছড়ির বালাসীঘাট থেকে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সেখান থেকে নৌ ঘাটটি এখন সাতারকান্দিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

যে সব নৌ ঘাট এখনও কোন রকমে টিকে রয়েছে সেগুলোরও এখন বেহাল দশা। চরাঞ্চলের নৌ যাত্রীদের বালুচরে হেটে গিয়ে অনেক দূরে নৌকায় উঠতে হচ্ছে। এছাড়া চ্যানেলের অভাবে নৌযান কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। এই হারে নদীর পানি কমতে থাকলে যে কোন সময় নৌ চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

যে সব রুটে এখনও যান্ত্রিক নৌকাগুলো চলছে জেগে ওঠা চরের কারণে ঘুর পথে চলাচল করতে হচ্ছে বলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে সময় লাগছে দ্বিগুণেরও বেশি। অপরদিকে ছোট ছোট নদীগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় ওইসব নদীতে ইতিপূর্বে স্থাপিত সেচ যন্ত্রগুলো এখন পানি সংকটের মুখে পড়েছে।

গত বছর অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনাসহ ছোট বড় সবগুলো নদীর পানি দ্রুত কমতে শুরু করে। অব্যাহত পানি হ্রাসের ফলে নদীগুলো নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। এ তিনটি নদীর পানি এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে এবং বিশাল বিশাল চর জেগে উঠেছে এখন নদীর বুকে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্র্ণ চরাঞ্চলের বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষ নদীতে নাব্যতা থাকার সময় স্বাভাবিকভাবে নৌকায় চলাচল করতো।

এখন নদী বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ চর এবং  নদীর শাখাগুলো পায়ে হেটে গন্তব্য স্থলে তাদের পৌঁছতে হয়। ইতোমধ্যে অনেক চরে বাদাম ও মরিচসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা হয়েছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত