প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘পাবলিক ইন্টারেস্টের বিরুদ্ধে যাওয়া একটা পদক্ষেপ’

আশিক রহমান : ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধন) বিল ২০১৭’ যখন ড্রাফট হয়, তখনই তো এর বিরুদ্ধে মতামত দেওয়া হয়েছে। অনেক অর্থনীতিবিদ, নাগরিক সমাজ ও কিছু সংখ্যক রাজনীতিও তো বলে আসছেন এটা ভালো হয়নি। আমিও মনে করি এটা ভালো হয়নি। কোনটা সঠিক, কোনটা ভুল সরকার তা জানে। জেনেশোনেই তারা তা করেছে। এটা সরকারের ব্যাপার, আমাদের কিছু বলার নেই। আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে তো এমনিতেই অশনি সংকেত। তবে এই বিল পাসের কারণেই যে অশনি সংকেত তৈরি হবে এটাও সঠিক নয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়া, পাবলিক ইন্টারেস্টের বিরুদ্ধে যাওয়া একটা পদক্ষেপ, অন্তত ব্যাংকিং খাতে। যেখানে আমরা সাধারণ মানুষের মালিকানা বিসৃত করতে চাইছি, সেখানে এটা কেন্দ্রীভূত হয়ে গেল। যেখানে আমরা চাইছি জনগণের অংশীদারিত্ব, সেখানে তার উল্টো হলো। এমনটি অনাকাক্সিক্ষত।

তিনি আরও বলেন, আমার মতে, পরিচালকদের ইকুইটির হোল্ডিংয়ের কমপক্ষে ৪০ পার্সেন্ট হোল্ড করতে হবে। এই একটা রেজ্যুলেশন অন্তত জারি করুক বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদের অধিকার ৩০ পার্সেন্ট, অথচ পুরো কন্ট্রোলে নিয়ে রাখবে তা তো ঠিক নয়। একটা কিছু করুক বাংলাদেশ ব্যাংক যাতে তাদের দায়-দায়িত্ব বাড়ে। শেয়ার হোল্ড করবে কম, আর পুরো ব্যাংক পরিচালনা করবেন পরিচালকেরা (এক পরিবারের ৪ জন) এটা হয় না কি কোনোদিন। হতে পারে? পরিচালকেরা যা চেয়েছিল সেটা হয়েছে বলেই মনে হয় আমার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত