প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিটি নির্বাচন বন্ধ হলে নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে

আফসান চৌধুরী : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের টেষ্ট পরিক্ষা। কেননা, জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী এবছরের ডিসেম্বরেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সংগত কারণেই জাতীয় নির্বাচনের ঠিক আগে আগে রাজধানীর নির্বাচন খুব গুরুত্ব বহণ করে। সেই সাথে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন জনগণের মধ্যে অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় একটু বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে।

এই নির্বাচনের দিকে গোটা দেশের মানুষের দৃষ্টি থাকে। এরকম নানাভিদ কারণেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশনের গ্রহণযোগ্যতা এবং দক্ষতা পরিমাপ করবে জনগণ। অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের যে ধারনা তৈরি হবে, সেই ধারনাটা জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করবে। তফসিল ঘোষণা করার পরে, এখন নির্বাচন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, এটি একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। তফসিল ঘোষণা করার আগে সবধরণের আইনি জটিলতা সমাধান করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ছিল।

নির্বাচন কমিশন একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবধরণের সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা তারা নিজেরাই নিতে পারে। তাই এখানে কোনো দুর্বলতা থাকলে তার জন্য তাদেরকেই দায়িত্ব নিতে হবে। আইনি জটিলতার কারণে সিটি নির্বাচন বন্ধ হয়ে গেলে নির্বাচন কমিশনের যোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। বাস্তবিক কারণেই এই নির্বাচনটা নির্বাচন কমিশনের জন্য একটা পরীক্ষা, আর এটা হচ্ছে টেষ্ট পরীক্ষা।
পরিচিতি : গবেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক
মতামত গ্রহণ : লিয়ন মীর
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত