প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন
বাজারে সংকট চললেও জানে না ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীসহ দেশের বাজারে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনের সংকট চলছে। দীর্ঘদিন ৩৮০-৪০০ টাকা দরে বিক্রীত ভ্যাকসিনটি কোথাও কোথাও ৫০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহ না থাকায় অনেক জায়গায় রোগীরা জরুরি ভ্যাকসিনটি কিনতে ব্যর্থ হচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কাছে কোনো তথ্য নেই। প্রস্তুতকারকরা বলছেন, কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সরবরাহ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বণিক বার্তার প্রতিবেদনে জানা গেছে, দেশে প্রচলিত হেপাটাইটিস-বি ইনজেকশন এনজেরিক্স-বি ক্ষেত্রবিশেষে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে চার গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইনের (জিএসকে) প্রস্তুতকৃত ওষুধটির সরবরাহ সংকট রয়েছে কয়েক মাস ধরে। দেশীয় দুই কোম্পানি ইনসেপ্টার তৈরি হেপা-বি ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি হেপাভেক্স ভ্যাকসিনেরও এক মাস ধরে বাজারে সরবরাহ নেই। এতে দীর্ঘদিন ধরে ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়ে আসা ভ্যাকসিন এখন ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তার পরও সবসময় পাওয়া যাচ্ছে না।

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড এলাকার মেসার্স মন্টু মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী মন্টু আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জিএসকের হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই। সম্প্রতি দেশীয় কোম্পানি পপুলার ও ইনসেপ্টার ভ্যাকসিনও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। দেশীয় ভ্যাকসিনগুলো দীর্ঘদিন ধরে ৩৮০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সরবরাহ সংকটে তা ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাও সরবরাহ নেই।

বিদেশী ভ্যাকসিন পরিবেশকরা বলছেন, কোম্পানির পক্ষ থেকে আমদানির অনুমোদন চেয়ে আবেদন করা হলেও সীমিত আকারে অনুমোদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আর দেশী ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারকরা বলছেন, কাঁচামাল সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাজারে সরবরাহ দেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বলেন, বাজারে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন সরবরাহ সংকটের বিষয়টি তার জানা নেই। এ ব্যাপারে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ভালো বলতে পারবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

যোগাযোগ করা হলে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের বিপণন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিনের কাঁচামাল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যথাসময়ে সরবরাহ দিতে না পারায় তারাও উৎপাদন করতে পারেননি। এ কারণে বাজারে ভ্যাকসিন সংকট হয়। তবে চলতি মাসের শেষ দিকে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ভ্যাকসিন বা টিকার বড় সরবরাহকারক ছিল বহুজাতিক কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) ও সানোফি আভেনতিস। সম্প্রতি দেশীয় প্রতিষ্ঠান ইনসেপ্টা ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস এসব ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত