প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সংসদে প্রধানমন্ত্রী
এরা চক্ষু থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির (ভিডিও)

সারোয়ার জাহান: আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশে আরেক শ্রেণির মানুষ আছে, সমস্যা তাদের নিয়ে। যখন দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় চলে, তখন তাদের কিছুই ভাল লাগে না, যখন উন্নয়নের পথে দেশ এগিয়ে যায় তারা উন্নয়নটা চোখে দেখে না। এমনকি বললেও শুনে না। ‘এরা চক্ষু থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির’।

বুধবার জাতীয় সংসদের ১৯ তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাদের মাথার মধ্যে একটি জিনিসই থাকে। যখন দেশে অসাংবিধানিক সরকার আসে, তখন তারা মনে করে তাদের একটু গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ তাদের ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছা আছে, পতাকা পাবার ইচ্ছা আছে। কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরণ হয় না। ইচ্ছা পূরণ করতে হলে জনগণের কাছে যেতে হবে, ভোট চাইতে হবে, ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসার মত তাদের যোগ্যতা নেই। তাই বাঁকা পথে ক্ষমতায় যাওয়ার পথটা কোথায়, সেই ওলিগলি অনবরত তারা খুঁজতে থাকে। আর এই অলিগলি খুঁজতে গিয়ে তারা যত উন্নয়নই করেন না কেনো, তারা তা চোখেই দেখে না। কোন মতেই চোখে দেখে না।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করা হলো, কোনো বাঁকা  পথে ক্ষমতায় আসা যায় কি না। জনগণের চাপে সেটা যখন হলো না। তখন অনেকেই বিছানায় শুয়ে পড়লেন। যে আহারে আর পতাকাটা পেলাম না, আর বুঝি হবে না। নির্বাচন আসলেই এই শ্রেণি আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে, আর আমি পূর্বে বলেছি, তারা চক্ষু থাকতে অন্ধ, কান থাকতে বধির। তারা কোনো ভাল কাজই দেখে না। ভাল কাজ দেখারমত তাদের সেই দৃষ্টিভঙ্গিই নাই, তারা ভাল চোখে দেখেন যখন অবৈধ ভাবে ক্ষমতায় আসেন। যখন ইমার্জেন্সি সরকার ক্ষমতায় আসে, তখন যারা দুর্বল অবস্থায় ক্ষমতায় এসে তাদেরকে ডাকেন।  ঐ ‘‘আতু’’ করে ডাক দিলেই তারা ছুটে চলে যান। এই শ্রেণিটাই সব থেকে যন্ত্রনাদায়ক। দেশের জন্য, মানুষের জন্য, আর মানুষের অকল্যানের জন্যই বেশি ব্যস্ত থাকে তারা।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তারা ভাবে যে আমি থাকলেই তাদের যত সমস্যা। বাংলাদেশের মানুষ সমর্থন করে। আমি নিজের জীবনের পরোয়া করি না। ভয়ভীতি কাজ করে না। যেটা আমার আদর্শ, আমার চিন্তা, যেটা আমি করতে চাই দেশের মানুষের কল্যানে সেটাই আমি করার জন্য চেষ্টা করি। সে জন্য আমার উপর বুলেট,গুলি, গ্রেনেট, হামলা হয় তবুও আমি মরি না। আল্লাহ কি ভাবে আমাকে বাচিয়ে নিয়ে আসে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত