প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হজ যাত্রার ভর্তুকি প্রত্যাহারের প্রতিবাদে সোচ্চার সাংসদ ওয়াইসি

আশিস গুপ্ত, নয়াদিল্লি: হিন্দুদের জন্য ভর্তুকি কেন ? হজ তীর্থযাত্রার উপর থেকে সমস্ত ভর্তুকি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরেই এই প্রশ্ন তুললেন সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি।

উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভারত সরকারের সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নকভি মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন চলতি বছর থেকেই হজ যাত্রার জন্য দেওয়া সবরকমের ভর্তুকি প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন,”সংখ্যালঘুদের তোষণ নয়, তাঁদের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী কেন্দ্র।এই নীতির আধারেই ভর্তুকি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” এই ভর্তুকির টাকা সংখ্যালঘুদের বিশেষ করে মহিলাদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। যার অর্থ মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের এবার থেকে পুরো নিজের টাকাতেই হজে যেতে হবে। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য কুম্ভমেলার ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকার চারধাম যাত্রার ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয়।

তাহলে সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রেই ভর্তুকি তোলা হল কেন?‌ এ প্রশ্ন তুলেছেন এআইএমআইএম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তাঁর দাবি, ‘‌বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশ সরকার কুম্ভ মেলার ক্ষেত্রে ভর্তুকি দেয়। এছাড়া অযোধ্যা, কাশী যাত্রার ক্ষেত্রেও ভর্তুকি দেওয়া হয়। তাহলে এগুলোও বন্ধ করা হোক। এসবই করা হয়েছে ভোটের কথা ভেবে।’‌

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ওয়াইসি বলেছেন, ‘‌বলা হয়েছে সংখ্যালঘু বিশেষ করে মহিলাদের শিক্ষায় ব্যয় করা হবে ভর্তুকির টাকা। দেখা যাক আসন্ন বাজেটে তাঁর ঘোষণা হয় কিনা।’‌

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্ট হজে ভর্তুকি তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো। আদালত ২০২২ সাল পর্যন্ত সময় দিয়েছিল সরকারকে। তার মধ্যেই ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ তুলে দিতে হবে ভর্তুকি, নির্দেশ ছিল এমনই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত