প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চীনের ফিউচার মার্কেটে তালিকাভুক্ত হলো আপেল

জান্নাতুল ফেরদৌসী: চীনের ফিউচার মার্কেটে তালিকাভুক্ত হলো আপেল। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিশ্ব বাজারে রপ্তানি বাড়াতে প্রথমবারের মতো কোনো ফলের ক্ষেত্রে নেয়া হয়েছে এমন উদ্যোগ। সূত্র: যমুনা টিভি

বিশ্লেষকরা বলছেন, মান বজায় রেখে ন্যায্য দামে বাজারজাত এবং রপ্তানি করা হলে আগ্রহ বাড়বে চাষের, বাড়তি সুযোগ তৈরি হবে কর্মসংস্থানের।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আপেল উৎপাদনের দেশ চীন। চীনের ২০ লাখ হেক্টর জমিতে চাষ হয় আপেল। বছরের চীনে আপেলের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টন। অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পর বড় একটি অংশ রপ্তানি হয় বিদেশে।

কৃষকদের অভিযোগ, আপেলের ন্যায্য দাম পায় না কৃষকরা।

এই সমস্যা সমাধানে প্রথমবারের মতো আপেলের ফিউচার মার্কেট চালু করেছে চীন।

চীনের দাবি, এতে আন্তর্জাতিক বাজারে আপেলের দাম নির্ধারণে ভূমিকা বাড়বে বেইজিংয়ে।

চীনের অর্থনীতি বিশ্লেষক জিং চুন বলেন, সারা বিশ্বে চীনা আপেলের চাহিদা রয়েছে। ফিউচার মার্কেট আপেল চাষীদের ঝুঁকিমুক্ত করবে। বিশ্ব বাজারে আপেলের দাম নির্ধারণও সহজ হবে। এতে দেশের কৃষিখাত পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে আপেল।

মূল্য নির্ধারণ ক্ষেত্রে আপেলের মান নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কঠোর নিলাম কর্তৃপক্ষ।

ফিউচার মার্কেট লেনদেন শুরুর সময় প্রতি টন আপেলের ভিত্তি মূল্য ধরা হয় বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ টাকা। প্রথম দিনে চুক্তি হয় প্রায় ৬০ কোটি ডলারের।

উদ্যোক্তাদের দাবি, ফিউচার মার্কেট চালু হওয়ায় সবচেয়ে লাভবান হবেন প্রান্তিক চাষীরা। ফসল নিয়ে ঝুঁকি কমবে।

সিএসআরসি’র প্রধান নির্বাহী ফাং জিংহাই বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আপেল চাষে দেশের অনেক অঞ্চলের কৃষকরাও স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এ খাতকে সম্ভাবনা করতে আরো অনেক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসছে। ফলে চাষীদের স্থিতিশীল আয় নিশ্চিত হচ্ছে।

এতদিন চীনে আপেলের দাম নির্ভর করতো বাজারের উপর।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত