প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জমি দখল করে অসহায় পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করলো নাসিক কাউন্সিলর দুলাল প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ২৫-৯-১৭ আনুমানিক রাত ৯টায় কর্মস্থল থেকে বাড়িতে আসার সময় চাঁন মিয়ার বাড়ির সামনে এলে নাসিক ২৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ ওরফে প্রধান দুলাল প্রধান তার সহযোগী ভূমিদস্যু রানা খানসহ সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ইমতিয়াজ উদ্দিন খোকনের উপর হামলা চালায়। রড় ও হকিস্টিক দিয়ে হাত, পা ও কোমরে বেদড়ক পিটায়। মুমূর্ষু অবস্থায় খোকনকে খানপুকুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খানপুকুর হাসপাতালে গিয়েও দুলাল প্রধান তার বাহিনী দিয়ে এলাকা ছেয়ে দিতে হুমকি ধামকি দেয়। নিরাপত্তাহীনতার কারণে খোকনের স্ত্রী নাসরিন ঢাকার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে দীর্ঘ দিন গোপনে চিকিৎসা করান। খোকনের মেরুদ-ের হাড় ফেটে গেছে।

বর্তমানে অর্থোপেডিক্স ডা. মধুসুধন পালের অধীনে চিকিৎসাধীন আছে। কাউন্সিলর দুলাল প্রধানের অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য অসহায় পরিবারটি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের ধারে ধারে ঘুরছেন। নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেটের আদালত অঞ্চল ঘ এর সিআর মামলা নং ১৭।মামলা সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ বন্দর কবরস্থান রোডের স্বল্পের চকে রাশেদ খানের বাড়ির পাশে ৬৭ ও ৭২ দাগের জমি পৈতৃক সূত্রে এবং বণ্টন বলে এই জমির মালিক ইমতিয়াজ উদ্দিন খোকন। এখান থেকে ৩ শতাংশ জায়গা নাসিক কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন আহমেদ দুলাল প্রধান তার চাচাত ভাই সুমন প্রধানকে কিনে দেয়। জমির দাম তিন লাখ টাকা করে মোট নয় লাখ টাকা। তার পর চার লক্ষ টাকা নগদ প্রদান করে এবং তিন লক্ষ টাকার চেক দিয়ে জায়গা রেজিষ্ট্রি করে নেয়। বাকী টাকা চেকসহ একমাসের সময় নেয় দুলাল প্রধান।

কিন্তু তিন বছর হয়ে যাচ্ছে টাকা দেয় দিচ্ছি বলে সময় নিচ্চে টাকা পরিশোধ করছে না। অবশেষে কাউন্সিলর দুলাল প্রধান খোকনের জমি আত্মসাতের পরিকল্পনা করে।
সূত্র মতে, অন্যদিকে ৬৭ ও ৭২ নং একই দাগের জমিটি ত্রিভুজ আকারের। তার একটি অংশ পূর্ব থেকে রানা খানের দখলে ছিল। যার পরিমাণ প্রায় দেড় শতাংশ। রানা খান কাউন্সিলর দুলাল প্রধান পরিকল্পনা করে খোকনের জমি দখলের, যা সহজ সরল খোকন বুঝতে পারেনি। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তিন শতাংশ জমি মূল্য ৯ লাখ টাকার মধ্যে ৬ লাখ টাকা নগদ দিয়ে খোকনের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি করে নেয়। বাকি তিন লাখ টাকার চেক দেয়। টাকা চাইতে গেলেই তাদের জমি দখলের পরিকল্পানা প্রকাশ পায়, বলে আপনারা কোনো টাকা পাবেন না। এই টাকা দুলাল প্রধানকে দিয়ে দিয়েছি। ভূমিদুস্য রানা খান রাতারাতি বালু ভরাট করে সাড়ে পাঁচ শতাংশ জমি দখল করে নেয়।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত