প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রবির দেড় হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে বিটিআরসি (ভিডিও)

জান্নাতুল ফেরদৌসী: মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। টাওয়ার ও গ্রাহক সংখ্যা কম দেখানোসহ প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রতারণার চিত্র সম্প্রতি এক খসড়া অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে। রবির এসব ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র পেয়েছে বিটিআরসির অডিট প্রতিষ্ঠান মসিহ মুহিত এন্ড কোং। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি

২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো রবি আজিয়াটার হিসাব নিরীক্ষা করতে মসিহ মুহিত হক অ্যান্ড কোম্পানিকে নিয়োগ দেয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি, আয় ও রাজস্ব পরিশোধের হিসাব খতিয়ে দেখে নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি খসড়া প্রতিবেদন জমা দিয়েছে বিটিআরসিতে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, অনুমোদিত ১৮০০ ব্যান্ডের অতিরিক্ত তরঙ্গ ব্যবহার করে রবি সরকারকে ফাঁকি দিয়েছে ৩৫০ কোটি টাকা।

১৯৯৮ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত রবি গ্রাহক কম দেখিয়েছে ৮ থেকে ৯ লাখ। এতে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে ২০০ কোটি টাকা।

খসড়া প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০০৪ সালে প্রতি হ্যান্ডসেটে বিক্রিতে ১১০০ টাকা করে কর নির্ধারণ করে রাজস্ব বোর্ড। যার বেশিরভাগই না দিয়ে ব্যবসা করে গেছে তখনকার একটেল। যা ২০১০ থেকে রবি নামে পরিচিত।

রবির মতো একটি বহুজাতিক কোম্পানির এ ধরনের আর্থিক অনিয়মে হতবাক সবাই। খসড়া অডিট রিপোর্টে রবির এসব অনিয়মের বিষয়ে জানত চাওয়া হলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান জানান, আইন বহির্ভূত কাজ করলে ছাড় দেয়া হবেনা কোনো অপারেটরকে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, অপারেটরের পয়সাটা যদি সরকারকে না দেয় সেটা বেআইনি হয়ে যায়। আইনের বাইরে কোন পয়সা চাচ্ছিনা। অতীতে যেসকল ভুলের কারণে সরকারকে পয়সা দেয়নি সেগুলো দিতে হবে।

বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানিয়েছে, রবিকে খসড়া অডিট রিপোর্টের জবাব দিতে বলা হলেও এখনো কোনো উত্তর দেয়নি তারা।

এ অডিটের বাইরেও রবির ২০১৩ থেকে ১৬ সাল পর্যন্ত ৫৫৩ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে এনবিআর এর বৃহৎ করদাতা ইউনিট।

এ ব্যাপারে রবি আজিয়াটার সাথে নানাভাবে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু কোনো কর্মকর্তাই অডিট রিপোর্ট নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত