প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফিলিপাইনে আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের ভয়ে পালিয়ে গেছে ১২,০০০ লোক

উপল বড়ুয়া : সোমবার থেকে ফিলিপাইনের মায়ন আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ লাল হয়ে বলকাতে শুরু করেছে। আগ্নেয়গিরি বিশারদগণ বলেছেন, এটি আজকের মধ্যেই বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে স্থানীয় ১২ হাজার লোক।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, কয়েকটি বাষ্পীয় বিস্ফোরণের পর গত ২৪ ঘন্টায় আগ্নেয় ভূমিকম্প এবং শিলাবৃষ্টি মায়ন আগ্নেয়গিরির মুখ উস্কে দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের আদেশে লোকজন বিস্ফোরণের অঞ্চল ছেড়ে সাত কিলোমিটার দূরে অবস্থান নিয়েছে। ভয়াবহ বিষাক্ত কাঁদা থেকে বাঁচতে সতর্ক সংকেত জারি রাখা হয়েছে। ছাইভষ্মের ফলে আগ্নেয়গিরির স্থানে পরিবার নিয়ে থাকা বিপজ্জনক বলে সংবাদ সংস্থা এএফপি’কে জানিয়েছেন আঞ্চলিক শাখা ও সিভিল সার্ভিসের প্রধান ক্লডিও য়্যুকোট।

গত সপ্তাহ থেকে লাগাতার বৃষ্টির ফলে মায়ন আগ্নেয়গিরির ঢালগুলো থেকে গরম লাভার সৃষ্টি হতে পারে। যদি বৃষ্টি না থামে তবে তা বিপজ্জনক আকার ধারণ করবে। এই আগ্নেয়গিরি ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

গত সপ্তাহ থেকে বা®পীয় বিস্ফোরণ এবং শিলাবৃষ্টির ফলে গত রবিবার সন্ধ্যা থেকে আগ্নেয়গিরি লাল জ্বালা মুখ ধারণ করে লাভা উত্তোলিত হয় বলে জানিয়েছেন ফিলিপাইন আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পতত¦ ইনস্টিটিউট। মায়ন থেকে সর্বশেষ লাভা উত্তোলিত হয় ২০১৪ সালে। তখন ৬৩,০০০ হাজারের মতো লোক তাদের ঘরবাড়ি ছেয়ে পালিয়ে যায়। ফিবলক্স প্রধান রেনেতা সলিডাম এএফপিকে বলেছেন, আমার মনে হয়, ২০১৪ সালের চেয়ে এবারের লাভা আরো বেশি তরল। এর অর্থ হলো লাভা এবার আরো দ্রুত আরো নিচে পৌঁছুতে পারে। মায়নের উচ্চতা ২,৪৬০ মিটার এবং এর অগ্ন্যুৎপাতের ভয়ংকর ইতিহাস রয়েছে। ২০১৩ সালে মে মাসে মায়নের অগ্ন্যুুৎপাতের ফলে চার বিদেশী নাগরিক এবং তাদের একজন লোকাল গাইড মৃত্যুবরণ করেন। ১৮১৪ সালে আগ্নেয়গিরির লাভা কাগসাওয়া শহরে প্রবেশের ফলে ১২,০০০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করেন। ২০০৬ সালের বিস্ফোরণে কেউ মারা না গেলেও চার মাস পরে টাইফুনের আঘানে ম্যায়নের ঢাল থেকে আগ্নেয়গিরির কাঁদা ছড়িয়ে ১,০০০ জন লোকের মৃত্যু হয়। ফ্রান্স২৪

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত