প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গ্যাস ঘাটতি ৩৫ কোটি ঘনফুট, চুলাও জ্বলছে না অনেক এলাকায়

আহমেদ রাজু : রাজধানীসহ দেশে বিভিন্ন এলাকায় চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। গ্যাস সংকটে রাজধানীর অনেক এলাকার বাড়িতে চুলাও জ্বলছে না। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় গ্যাস জমে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে প্রতিদিন ঘাটতি থাকছে ৩৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। শীত গেলেই এই সংকট কেটে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গ্যাস সংকট সম্পর্কে তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মশিউর রহমান বলেছেন, ‘শীত এলেই গ্যাস সংকট দেখা দেয়। সব বাড়িতেই পানি গরম করতে সারাদিনই জ্বলে গ্যাসের চুলা। তাই শীতে গ্যাসের চাহিদা বাড়ে। সেই অনুপাতে গ্যাস সরবরাহ কম। এখন গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ২০০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু শীতে গ্যাস জমে যাওয়ায় সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১৬৫ কোটি ঘনফুট। শীত কমে গেলেই গ্যাস সংকট কেটে যাবে।’

শিল্প মালিকরা বলেছেন, গ্যাস সংকটে তাদের কারখানার উৎপাদন এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। অনেক কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। তিতাস গ্যাস বলছে, তাদের পাইপ লাইনে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তীব্র শীতে গ্যাসের চাপ আগের চেয়ে অনেক কম। একদিকে চাহিদা বেশি, অন্যদিকে উৎপাদন কম। শীত এলে গ্যাসের চাহিদা বাড়ে ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটি ঘনফুট। একই সঙ্গে বিপুল ঘাটতি থাকায় গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে। গ্যাস সংকট তীব্র হওয়ায় তিতাসের জরুরি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ থেকে ছয়শ অভিযোগ আসছে। কিন্তু সরবরাহ কম থাকায় কিছু করতে পারছে না তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তারা।

আবাসিক বাড়ি ছাড়াও সিএনজি স্টেশনেও এখন গ্যাসের চাপ অনেক কম। কোনো কোনো সিএনজি স্টেশন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গতকাল গাবতলী, কল্যাণপুর, বাংলামটর ও মতিঝিলের সিএনজি স্টেশনগুলোয় ছিলো গাড়ির লম্বা লাইন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর, কাটাশুর, শ্যামলী, মিরপুর, লালবাগ, স্বামীবাগ, দনিয়া, মগবাজার, রামপুরা, বনশ্রী, সূত্রাপুর, বাড্ডা, উত্তরা, কেরানিগঞ্জ, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় চলছে তীব্র গ্যাস সংকট। আমাদের অর্থনীতি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত