প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিক্ষোভের পর তিউনিসিয়ায় সংস্কারের ঘোষণা

কামরুল আহসান : অর্থনীতি চাঙ্গা করার পরিকল্পনায় নতুন বছর উপলক্ষ্যে ব্যাপক কর বৃদ্ধি ও জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি করে তিউনিসিয়ার সরকার। এর মধ্যে প্রচুর বেকারত্বের সমস্যা তো আছেই। সরকারের এহেন পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ৮ জানুয়ারি থেকে বিক্ষোভে নামে তিউনিসিয়ার জনগণ। রাজধানী তিউনিস থেকে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে তিউনিসিয়ার বিভিন্ন শহরে। এক তরুণ নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে প্রতিবাদ করেন। বিক্ষোভ দমাতে সরকার ১৩ তারিখ পর্যন্ত আটক করে প্রায় ৮০০ বিক্ষোভকারী। তাদের একজনকে বন্দি অবস্থায় মেরে ফেলারও খবর পাওয়া গেছে। ফলে বিক্ষোভ আরো জ্বলে ওঠে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে সংহিসতা। সংহিসতা থামাতে সরকার সেনাবাহিনী পর্যন্ত রাস্তায় নামাতে বাধ্য হয়। বিভিন্ন শহরে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এলে ১৪ জানুয়রি সরকার সংস্কারের ঘোষণা দিল। বিক্ষোভকারীদের কিছু দাবি মেনে নিয়ে পরিকল্পনায় কিছু কাটছাঁট করার কথা জানালেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেজি সাঈদ এসেবসি। ট্রেড ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রেসিডেন্ট ভবনে ডেকে নিয়ে দুই ঘন্টা আলাপ-আলোচনা করলেন আসন্ন সংকট নিরসনে। ট্রেড ইউনিয়নের একজন প্রধান পরিচালক জানালেন, আমরা মূলত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার নিয়েই কথা বলেছি। আসন্ন সংকট কীভাবে কাটানো যায় তাই নিয়েই আলাপ-আলোচনা করেছি। সরকার আবাসন, স্বাস্থ্য সেবা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠির জীবনমান কিছু বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নির্ধারিত কর ও মূল্যবৃদ্ধি প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার পরিবারকে প্রভাবিত করেছে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী মুহাম্মদ ট্রাবেলসি বলেছেন, সরকার দরিদ্রদের জন্য ৭০ মিলিয়ন ডলার অনুদান বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিবিসি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত