প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঘন কুয়াশায় বাড়ছে নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকি

ফারমিনা তাসলিম : ঘন কুয়াশার ফলে নৌপথে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ঘন কুয়াশায় নৌযান চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে নৌযান চলার ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে। বিআইডব্লিউটিএ বলছে, চলতি পথে কুয়াশা হলে নৌযান থামিয়ে বাজাতে হবে হুইসেল।

জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই সারাদেশে শীতের পাশাপাশি আকাশে থাকছে কুয়াশা। কখনও কখনও ঘন কুয়াশার কারণে ৫০ হাত দূরের কোনো জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। দিনের বেলাতেও সূর্যের আলো পর্যন্ত কুয়াশা ভেদ করতে পারছেনা। আর এর মধ্যেই ঝুঁকি নিয়েই চলছে যাত্রীবাহী নৌযান।

এমএল তাজের মাস্টার মো: নয়ন বলেন, কুয়াশার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যে দূরের জিনিস তো দেখা যায়ই না, কাছের কিছুও দেখা যায় না। এতে লঞ্চ চলাচল খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এমএল মুনিরের মাস্টার জসিম বলেন, এমন কুয়াশা থাকলে যেকোনো সময়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কুয়াশার মধ্যে চলতে প্রয়োজন ইকো সাউন্ডার, রাডার, ভিএইচএফ রেডিও এবং জিপিএস। কিন্তু বেশিরভাগ নৌযানে এগুলো না থাকায় দুর্ঘটনার আশংকার কথা জানান এমভি সুন্দরবন-১০ এর মাস্টার মো. মজিবর রহমান।

তিনি জানান, যেসব জাহাজে আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে শুধুমাত্র সেগুলোই নিরাপদে চলতে পারে। অন্যান্য লঞ্চে ঝুঁকি রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ বলছে, চলতি পথে কুয়াশা হলে দুর্ঘটনা এড়াতে নৌযান থামিয়ে সতর্কতা সংকেত দিতে হবে।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু বলেন, কুয়াশার কারণে যদি লঞ্চ চলাচলে কোনো ধরনের সমস্যা মনে হয় তবে লঞ্চ নোঙর করে রাখতে হবে। এছাড়া মাঝে মাঝে ভেঁপু বাজাতে হবে। যখন কুয়াশা কেটে যাবে তখন আবার লঞ্চ চালানো শুরু করতে হবে।

বর্তমানে দেশে ৬৯৫ টি যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল করছে। এরমধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৯টি বিলাস বহুল ও যাত্রীবাহী নৌযান রয়েছে ৭০টি। এগুলোর মধ্যে কুয়াশায় চলাচলে উপযোগী যাত্রীবাহী নৌযানের সংখ্যা মাত্র ১০টি।

সূত্র – সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ