প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতে মিনি বাংলাদেশ

নজরুল ইসলাম তামিজী : বেড়ে ওঠার আগেই ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে কিশোরীরা। বছরে ৫০ হাজার নারী পাচার হচ্ছে। অভাবের তাড়নায় গরীব মানুষগুলো দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। তাদেরকে স্বপ্ন দেখানো হয়, উন্নত দেশ, ভালো খাওয়া- ভালো চাকরির। বেশির ভাগ মেয়েকেই বলা হয় তাকে ফিল্ম সিটিতে কাজ দেয়া হবে। চোখের সামনে প্রিয় নায়ক-নায়িকাকে দেখতে পাওয়ার আশায় তারা রাজী হয়ে যায়। এইভাবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রামের কিশোরীরা ভারতে পাচার হচ্ছে। ভারতে পৌঁছানোর সাথে সাথে প্রতারক চক্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়। তারা স্পষ্টতই বলে যে, এখানে এখন থেকে দেহ ব্যবসা করতে হবে।

ঘর থেকে বের হবার কোনো পথ নেই। এভাবে গৃহবন্দী হয়ে দিন কাটাতে হয় নারীদের। উন্নত চাকরির স্বপ্ন মরে যায়। নিজের পরিবার থেকে দূরে একটা ছোট্ট কামরায় নিজেকে আবিষ্কার করে কিশোরী। মাঝে মাঝে গ্রাহকের কাছে সাহায্যও চায়। এলাকায় এলাকায় ঘর ভাড়া করে হয় এই দেহ ব্যবসা। বেশির ভাগ বাড়ি ভাড়া নেয়া হয় ষ্টেশন কিংবা বাস ষ্ট্যান্ডের পাশে। এখানে একবার যে প্রবেশ করে সে আর সমাজে নিজের পরিবারে ফিরতে পারে না। কিশোরীকে পুঁজি করে শুরু হয় দালালদের আয়ের ব্যবসা। একজন নারীকে বাধ্য করা হয় দেহ বিক্রি করতে, এটা সমাজের জন্যে উদ্বেগজনক।

আমি মনে করি, দেশের সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে জনগণের জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। সরকারি ভাবে মানুষকে যদি বিদেশ যাওয়া সুনিশ্চিত করতে হবে। পাচার কারী দলকে চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি। মানব পাচার আইন আছে আমাদের। এর সঠিক প্রয়োগ হলে মানব পাচার কম হবে বলে মনে করি। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮। মানবপাচার প্রতিরোধ আইন ২০১২। আমাদের দেশের আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রয়েছে। আইন আছে আইনের প্রয়োগ করতে হবে।

পরিচিতি : চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি
মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত