প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যাটা সিএনজি, ১৪ টাকা ফাঁকি দিয়ে পালাবি কোথায়!

ডেস্ক রিপোর্ট : সকাল ৯:৩০। নিউমার্কেটের সামনে থেকে যাব আগারগাঁও। উবারে ফোন দিলাম। ব্যাটে-বলে হলো না। একজন ড্রাইভার পরিবাগে তো আরেকজন শেরাটনে। তারপর ভাবলাম, থাক, সিএনজিতেই যাই।

চন্দ্রিমা মার্কেটের সামনে পেলাম একটা সিএনজি। মিটারে যাবে না, দুইশ টাকায় রাজি হলো সে। ওঠার সময় দেখলাম এক রিকশাওয়ালাকে দুই টাকা দিচ্ছে সিএনজিচালক। বললাম, উনাকে দুই টাকা দিচ্ছেন কেন? সে বলল, দুই টাকা না, ছয় টাকা দিই। আমি নাদান। বললাম, ছয় টাকা দিচ্ছেন কেন? সে বলল, আরে, মামা, বুঝেন না, ট্রাফিক পুলিশ নিবে!

– ছয় টাকা নিবে কেন?
– এইখানে সিএনজি রাখছি তাই। রেট বিশ টাকা।

সিএনজি ছাড়ার আগে দূরে দাঁড়ানো ট্রাফিক পুলিশকে দুটো পাঁচশ টাকার নোট উঁচিয়ে দেখিয়ে বলল সে, ভাংতি নাই, স্যার, চৌদ্দ টাকা পরে দিমুনে, ঘুইরা আসি। নাদান আমি বুঝলাম, এইখানে সিএনজি রাখলে ২০ টাকা দিতে হয়।

বিশ টাকার বদলে ছয় টাকা দিয়ে নিষ্কৃতি পাওয়ার আনন্দে সিএনজি চলতে শুরু করল একদম বাজপাখির গতিতে। ফলস্বরূপ, ধানমণ্ডির অরচার্জ পয়েন্টের একটু আগে মাঝরাস্তাতেই উলটে গেল আমাদের সিএনজি। ভাবলাম, আজ অক্কাই পেলাম বুঝি। অতকিছু হলো না।

উদ্ধার করতে চটপট করে চলে এল পথচারীগণ আর দুজন করিৎকর্মা ট্রাফিক পুলিশ। সারা শরীরে ব্যথা, কেটেকুটেও গেছে দু-তিন জায়গায়, জামাকাপড় ধুলোয় ধূসরিত। উঠে দাঁড়াতেই দেখি সিএনজিচালককে শাসাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশদ্বয়, ‘উল্টাপাল্টা গাড়ি চালাস। তোরে সাইজ করতেছি আজ।’

আমি ভাবলাম, ব্যাটা সিএনজি, ১৪ টাকা ফাঁকি দিয়ে পালাবি কোথায়!

— তারিক সালমনের ফেসবুক থেকে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ