প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্যালাইন উৎপাদনে অনিয়মের অভিযোগ জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে

জুয়াইরিয়া ফৌজিয়া : জনসাধারণের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট। সরকারের একমাত্র স্যালাইন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এটি। কিন্তু এই স্যালাইন উৎপাদন ও বিতরণ নিয়ে নয় ছয়ের অভিযোগ ওঠে প্রায়ই। তাই এসব অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমে নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে অনুসন্ধান টিম। সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

অভিযোগ আছে রংপুর মেডিকেল কলেজ রোডে কালোবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে ৩ শতাংশ সোডিয়াম ক্লোরাইড স্যালাইন। অভিযুক্তের সত্যতা খুঁজতে কালোবাজার থেকে ৩ শতাংশ স্যালাইন কিনে অনুসন্ধান টিম। আড়াই হাজার টাকার বিনিময়ে পাওয়া গেল ৪০ টাকা ২৫ পয়সা দামের এক ব্যাগ স্যালাইন।

মানুষের শরীরে আকস্মিক লবণের পরিমাণ কমে গেলে দরকার হয় এই স্যালাইনের। অভিযোগ আছে এই স্যালাইনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে রাখার। মুমূর্ষ রোগীর জীবন রক্ষাকারী এই স্যালাইনটি শুধুমাত্র সরকরি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে উৎপাদন করা হয়।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মেডিকেল অফিসার ডা.সাকিনা শাব আফরোজ বলেন, ৩ শতাংশ সোডিয়াম ক্লোরাইড একমাত্র প্রতিষ্ঠান যেটা আইপিএস আইফুয়েড সেকশনে আমরা তৈরি করে থাকি।

তবে এই স্যালাইন কিভাবে কালোবাজারে যায় সেটা খুঁজতে গিয়ে জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে আরও কিছু অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পরিবর্তে কাজ করছে একজন দিনমজুর।

আর সরকারি জায়াগায় গড়ে তোলা হয়েছে কয়েক হাজার কাঁচা পাকা ঘর। এইসব অবৈধ ঘরের ভীরে চাপা পড়েছে সরকারি বৈধ ভবনগুলো। কেউ কেউ আবার নিজের নামে সরকারি বরাদ্দকৃত বাসা ভাড়া দিয়ে নিজে থাকেন অভিজাত এলাকায়।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. আনিছুর রহমান বলেন, যারা অবৈধভাবে ঘর তুলেছে তাদেরকে খালি করার জন্য বলা হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত