প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তাবিথ ধীরস্থির, গুছিয়ে কথা বলে: নাসরিন আউয়াল মিন্টু

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : গত নির্বাচনে সবাই মনে করেছিল, বাচ্চা ছেলে কী বলে না বলে। তবে আপনারা দেখতে পেয়েছেন, সবচেয়ে ভালো বক্তা ছিল তাবিথ। সে তো কখনও রাজনীতি করেনি, বক্তৃতাও দেয়নি কখনও। তারপরও আল্লাহর ইচ্ছায় ভালোই বক্তৃতা দিয়েছিল। সে যখন টকশো করেছে, বাইরে বক্তৃতা দিয়েছে, সবাই তার বক্তৃতার প্রশংসা করেছে। সবাই বলেছে তাবিথ ভালো বলে। সেখান থেকে আমার মনে হয়, তার যে ইচ্ছা এবং স্বপ্ন মানুষের জন্য কিছু একটা করার। সেখান থেকে-ই ঢাকার মেয়র হওয়ার ইচ্ছা। তার বাবারও ইচ্ছা ছিলো কিন্তু কোনো কারণেই হোক তা হয়নি। আমার ছেলের ইচ্ছা এবং তার বাবারও ইচ্ছা, ঢাকা সিটির মেয়র হয়ে ঢাকা সিটিকে সুন্দরভাবে উপহার দেওয়ায়। আমি মনে করি তাবিথ পারবে। ১০০ পার্সেন্টই পারবে, কারণ সে যে কাজই করে ধীরস্থির, ঠা-া মাথায় এবং গুছিয়ে করে। খুব সহজেই উত্তেজিত হয় না। আগে বুঝে তারপর আগায়। আমাদের অর্থনীতিকে দেয় বিশেষ সাক্ষাৎকারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের মা নাসরিন আউয়াল মিন্টু সন্তান সম্পর্কে এইসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আসলে আমার বড় ছেলে তাবিথ আউয়াল খুব চিন্তা করে কাজ করে। তাবিথ আউয়ালসহ আমার সব সন্তানই মানুষকে সাহায্য করার জন্য তাদের নিজ এলাকা দাগনভূঁইয়ার মতো একটা গ্রামে যেয়েও কাজ করে। তাবিথ বিদেশে পড়াশুনা করেছে এবং সে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও মাস্টার্স একসাথে ২২ বছর বয়সে শেষ করেছে জজ ওয়াশিংটন ইউনির্ভাসিটি থেকে। যখন সে সিদ্ধান্ত নিলো আন্ডার গ্র্যাজুয়েট এবং মাস্টার্স করবে তখন তার ইউনির্ভাসিটির প্রিন্সিপাল ভয় পেয়ে যায় এবং বলে একটু সময় নিয়ে শেষ করার জন্য। এরপর প্রিন্সিপাল আমাদেরও ডেকে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তাবিথ ওর সিদ্ধান্তে অটল থাকে। আমরাও তখন চিন্তা করলাম, ও যখন চাচ্ছে, দেখি কী হয়। আমরা দেখতে পেলাম, তাবিথ ২২ বছর বয়সে পড়াশুনা শেষ করে এসেছে।

তিনি বলেন, আমি বিশেষ করে চাইনি, তাবিথ দেশে আসুক। সে ওখানে চাকরি করুক চেয়েছিলাম। কিন্তু আমার ছেলে বললো, সে দেশে আসবে এবং দেশের কাজ করতে চায়। দেশে এসে গ্রামে একটি স্কুল দিয়েছে এবং সে ওখানের চেয়ারম্যান। গ্রামের সাথেও আমার সব সন্তানেরই যোগাযোগ আছে। সবসময়ই তারা গ্রামে যাতায়াত করে। মানুষের উপকার করাটা তাবিথের মাঝে একটু বেশি। সে চিন্তা করে, আমি অন্য কাউকে উপকার করি তাহলে তো আমারও ভালো হবে। সে বেশ ম্যাচিউর এবং বুঝে কথা বলে।

তিনি আরও বলেন, তাবিথ উন্নত শহরগুলোতে ছিল ছোট বেলা থেকেই, সেখান থেকে অনেক আইডিয়া পেয়েছে কিভাবে কাজ করতে হয়, এটা একটা প্লাস পয়েন্ট। তাবিথ এই আইডিয়াগুলো কাজে লাগাতে চায় দেশের জন্য। তার চিন্তা হলো, আমাদের দেশের এই অবস্থা কেন? যে দেশের মানুষ এতো ভালো এবং যে দেশের এতো রিসোর্স কিন্তু কোনো উন্নতি হচ্ছে না। পাশের দেশগুলো খব দ্রুত উন্নত হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তাদের রিসোর্স এতো ভালো না। তাবিথ এই আইডিয়াগুলো কাজে লাগাতে চায় দেশের জন্য। আমি আশা করি, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাবিথ এইবার জিতে যাবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ