প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এই চক্রকে ধরতে প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

ড. জিনাত হুদা : প্রতি বছরে ভারতে পাচার হচ্ছে বাংলাদেশি তরুণী। কিশোরীরা ঠিকমতো বেড়েই উঠতে পারছে না। বেড়ে উঠার আগেই অনেক তরুণী পাচার হয়ে যাচ্ছে। বিদেশে মেয়ের বিয়ে হচ্ছে শুনলে আমরা খুব খুশি হই। বাবা মায়েরা যেন বিয়ে দিতে পারলেই বেঁচে যান। অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার দরকার আছে। আসলে কোথায় বিয়ে হচ্ছে, কার সাথে হচ্ছে এটা অনেক মেয়ে জানেই না। কিন্তু তাকে বিয়েতে রাজি হতে হয়। একটি নিরাপদ, স্বচ্ছল জীবনের হাতছানি তাকে রাজি করায়।

এই চক্রকে ধরার জন্য প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারীদেরকে বলা হয়, তাদেরকে বিদেশে হোটেল কিংবা রেস্তোঁরায়, সিনেমা কিংবা নাটকে সহকারীর কাজ দেওয়া হবে। একটি স্বচ্ছল জীবনের প্রত্যাশায় তারা রাজি হয়ে যায়। বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে, জমি-জমা বেঁচে তারা বিদেশে পাড়ি জমায়। বিদেশের মাটিতে পা রাখার সাথে সাথেই প্রতারক চক্রের আসল চেহারা উন্মোচিত হয়। তখন আর প্রতিবাদ করার উপায় নেই।

এভাবেই হাত বদল হয়ে যায় হাজার হাজার তরুণী। ভারত, মিডল ইস্ট, দুবাই, লেবানন বিভিন্ন দেশে তারা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে দিন কাটাচ্ছে। এই বিষয়গুলো ওই সমস্ত দেশের সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তরের দেখা উচিত। এই বিশাল চক্রের মুখোশ খুলে দেওয়া উচিত। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আমাদের সচেতনতাই পারে একটি জীবন রক্ষা করতে।

পরিচিতি : অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢা.বি.
মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ