প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্রেক্সিট নিয়ে আরও একটি গণভোট চাইলেন নাজেল ফ্যারাজে

পরাগ মাঝি : ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে আসা তথা ব্রেক্সিটের নাটের গুরুদের অন্যতম নাইজেল ফ্যারাজে। ২০১৬ সালে এক যুগান্তকারী গণভোটের মাধ্যমে ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দেয় ব্রিটিশরা। সম্প্রতি ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ব্রিটেন। কিন্তু এ অবস্থায় ব্রেক্সিট ইস্যুতে আরও একটি গণভোটের আহŸান জানালেন ফ্যারাজে। ব্রেক্সিট নিয়ে তার চিন্তার পরিবর্তন হয়েছে এমন নয়, বরং তিনি চান ব্রেক্সিট নিয়ে এখনো যারা দ্বিধা এবং বিরোধী মত পোষন করছে তারা যেন এ বিষয়ে পাকাপাকিভাবে চুপ হয়ে যায়।

ব্রিটেনের ‘চ্যানেল ফাইভ’-এ দেওয়া সাক্ষাতকারে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি বেøয়াররের মতো ব্রেক্সিট বিরোধীদেরকেও খোঁচা দেন নাইজেল ফ্যারাজে। তাদের উদ্দেশ্য করে ফ্যারাজে বলেন, ‘তারা চিৎকার করতেই থাকবেন। যতোদিন এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তাদের বিলাপ থামবেনা। আর এ ব্যপারটি উপলদ্ধি করেই আমি ব্রেক্সিট ইস্যুতে আরও একটি গণভোটের আহŸান জানাচ্ছি।’

ব্রেক্সিট নিয়ে নাইজেল ফ্যারাজে এই প্রথমবার দ্বিতীয় গণভোটের আহŸান জানালেন। তিনি চাইছেন, এই ব্যপারটি যেন পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোন ইস্যু হয়ে না দাঁড়ায়। এই ইস্যুতে প্রায় ৫২ শতাংশ ব্রিটিশ ব্রেক্সিটের পক্ষে রায় দিয়েছিলো। বলা যায়, ব্রিটিশ রাজনীতিতে ব্রেক্সিট ইস্যুই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী।

এদিকে, ব্রেক্সিট বিরোধীরা এখনও এর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। ব্রিটিশ লেবার পার্টির সাবেক নেতা ও প্রধানমন্ত্রী টনি বেøয়ার মনে করেন, ব্রেক্সিট টার্মটিকে না বুঝেই ভোট দিয়েছিলো ভোটাররা। কিন্তু যদি বিষয়টি তারা বুঝে এবং উপলদ্ধি করে তবে, নিঃসন্দেহে তাদের মন পরিবর্তন হয়ে যাবে।

তাই সত্যিকার অর্থেই ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিতীয় গণভোট চায় এর বিরোধীরা। তবে আপাত পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ব্রেক্সিট নিয়ে কোন গণভোটের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সরকারের এক মুখপাত্র বলেন, ‘সরকার এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রসঙ্গে ব্রিটেনে আর কোন গণভোট অনুষ্ঠিত হবেনা।’ সিএনএন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত