প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিছু উন্নয়ন হলেও দুর্নীতি বেড়েছে : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

আশিক রহমান : গণতন্ত্র, রাজনৈতিক পরিবেশ আজ প্রশ্নবিদ্ধ। সরকার অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে মাঠে নামতে দিচ্ছে না। ফলে তারা তাদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকা- করতে পারছে না। এটা স্বৈরাচারী মনোভাব। স্বৈরাচারী মনোভাব কখনো দেশের জন্য মঙ্গলজনক হয় না। অনেকটা ফ্যাসিস্ট কায়দায় সরকার বিরোধী দলকে দমন ও নিয়ন্ত্রণ করছে। এটা সঠিক কাজ নয়।

সরকারের ৪ বছরের মূল্যায়ন করতে গিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আমাদের অর্থনীতিকে আরও বলেন, আমার হিসেবে গত ৪ বছরে দেশে নিশ্চয়ই কিছু উন্নয়ন হয়েছে। স্কুল-কলেজ বেড়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও অনেক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ব্যাংকের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু ব্যাংকের ব্যর্থতাও ছিল উল্লেখযোগ্য। ব্যাংকগুলোতে দুর্নীতি বেড়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের সুবিধার জন্য বিদ্যুতের রেট বাড়িয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অনেক বেড়েছে। চালের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় গরিব মানুষের কষ্ট আরও বেড়েছে। চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বাড়ায় তারাই সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পড়েছে।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ছিল দৃশ্যমান। প্রথম শ্রেণি থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হচ্ছেÑ কেন্দ্রিকতা আর আমলাতান্ত্রিকতা। এখনো পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতে কার্যকর উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। দেখা যাক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কি হয়। এই নির্বাচন থেকেও অনেক কিছু ধারণা করা যাবে।

তিনি বলেন, সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতা হবে যদি পদ্মা সেতু সম্পন্ন করতে পারে। একই সঙ্গে এটাও বলতে হয়, এই সেতু করতে আমাদের ৭ হাজার কোটি টাকা বাজেট ছিল, কিন্তু সেটা বেড়ে এখন ৩৫ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারটি সরকার সম্পন্ন করেছে। কিন্তু সংগঠন জামায়াতে ইসলামীকে কি তারা নিষিদ্ধ করবে, সে বিষয়ে এখনো তারা রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক বক্তব্যে সব সময় এটা ব্যবহার করছে।

সর্বাধিক পঠিত