প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যানজট বাড়ার শঙ্কা

ডেস্ক রিপোর্ট : নয়াপল্টনের পলওয়েল মার্কেটের সামনের রাস্তায় যানজট প্রায় লেগেই থাকে। এই রাস্তা গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। একইভাবে বায়তুল মোকাররমের স্বর্ণমার্কেট লিংক রোডের এক পাশও বেছে নেওয়া হয়েছে পার্কিংয়ের জন্য। এ রাস্তায় যান চলাচল সীমিত হলেও অবৈধ দোকানপাটের দৌরাত্ম্যে অবস্থা আরও খারাপ থাকে। মতিঝিলের জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে বক চত্বর পর্যন্ত সড়কের দু’পাশও পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার আগে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

কেবল এ তিনটি স্থানই নয়, পুরো রাজধানীর এ রকম ৫৪টি রাস্তা গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য বেছে নিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। এর নাম ‘অন স্ট্রিট পার্কিং’। এমনিতেই রাজধানীর মোট এলাকার ২৫ শতাংশের স্থলে রাস্তা আছে মাত্র ৭ শতাংশ। এর ওপর খোদ রাস্তার ওপর গাড়ি পার্কিংয়ের বৈধতা দিলে নগরের তীব্র যানজট আরও বাড়বে বলে বিশেষজ্ঞ ও নগরবাসীর মনে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ বলছে, গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান চিহ্নিত করে দিলে সড়কে যানজট কমবে। পাশাপাশি নগরবাসীও অস্থায়ীভাবে অন স্ট্রিট পার্কিং করতে পারবেন। তা ছাড়া এমনিতেই এসব এলাকায় সব সময় গাড়ি পার্ক করা হয়; বরং বৈধতা দিয়ে টোল আদায় করা গেলে রাজস্ব আদায় বাড়বে।

ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মীর রেজাউল আলম বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটির ব্যবস্থাপনা, টোল আদায় বা পার্কিং জোন লিজ দেওয়ার ব্যবস্থা করবে সিটি করপোরেশন। পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ শুধু জায়গাগুলো চিহ্নিত করে দেবে। এর বাইরে গাড়ি রাখলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, রাস্তার মালিক সিটি করপোরেশন। সেখানে পার্কিংয়ের সুযোগ দিতে ট্রাফিক বিভাগ প্রস্তাব দিয়েছে। তবে প্রস্তাবটি এখনও অফিসিয়ালি তাদের হাতে আসেনি। ওই সব রাস্তায় লোকজন এমনিতেই গাড়ি পার্ক করে রাখে। কাজেই বৈধতা দিলে করপোরেশনের রাজস্ব আদায় বাড়বে। অফিসিয়ালি প্রস্তাব পেলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, রাজধানীতে রাস্তার পরিমাণ ২৫ শতাংশের স্থলে আছে মাত্র ৭ শতাংশ। ধনী মানুষের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সেই রাস্তা দেওয়ার মানে ধনিক-তোষণ ছাড়া আর কিছুই না। গাড়ি ব্যবহারকারীদের জন্য অন স্ট্রিট পার্কিং চালু করে বাকি ৯৩ শতাংশ মানুষের সমস্যা বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে প্রতিবছর ব্যক্তিগত যানবাহন বৃদ্ধির হার ২ শতাংশ। সিঙ্গাপুরে যে পরিমাণ রাস্তা তৈরির সুযোগ ছিল, সেটা শেষ হয়েছে। তাই আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন কোনো গাড়ির পারমিট দেওয়া বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার। কেউ নতুন গাড়ি কিনলে পুরনো গাড়ির পারমিট কিনে নতুন গাড়ি রাস্তায় নামাতে হবে। কিন্তু ঢাকা শহরে নতুন গাড়ি নামানোর ব্যাপারে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। কাজেই ধনী লোকজন দেদার গাড়ি কিনছে। তাদের পক্ষ থেকে পার্কিংয়ের সুযোগ দেওয়ার চাপ রয়েছে।

নগর পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শামসুল হক ট্রাফিক পুলিশের এ উদ্যোগকে দেখছেন ইতিবাচক হিসেবে। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে কয়েকটি পয়েন্টে পরীক্ষামূলকভাবে পার্কিং চালু করে দেখা যেতে পারে ফল কী দাঁড়ায়। তবে এসব স্থানে সব সময় পার্কিংয়ের সুযোগ রাখা ঠিক হবে না। পিক টাইমে না দিয়ে অফ-পিক টাইমে পার্কিংয়ের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। ভালোভাবে পর্যালোচনার পর সময় নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি গাড়িগুলো ৯০ ডিগ্রি কোণে না রেখে প্যারালাল পদ্ধতিতে পার্ক করতে হবে। তাতে রাস্তার জায়গা কম ব্যবহার হবে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, কোনো নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে পার্কিং স্পেস রাখা ও উন্মুক্ত করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু রাজউক এ ব্যাপারে নীরব। এ প্রসঙ্গে ইকবাল হাবিব বলেন, রাজউকের নকশায় থাকা পার্কিং স্পেসগুলোতে শপিং সেন্টার বানানো হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। তা না করে রাস্তায় পার্কিংয়ের সুযোগ দিয়ে যানজট বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বিদ্যমান রাস্তা ব্যবহার করেই রাজধানীর যানজট ৪০ শতাংশ কমিয়ে আনা সম্ভব। প্রয়োজনে সরকার তাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভবনগুলোর পার্কিং স্পেস উদ্ধারের জন্য গুলশান, বনানী ও উত্তরায় নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে অনেক দেশেই অন স্ট্রিট পার্কিং চালু আছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেসব দেশে এক ঘণ্টার জন্য বাংলাদেশি দুই হাজার টাকাও দিতে হয়। ঢাকায় এত না হলেও উচ্চ হারে টোল নির্ধারণ করলে গাড়ি ব্যবহারের প্রবণতা কমবে; নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পার্কিংয়ের পথ খুঁজবে।

ট্রাফিক বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, ট্রাফিকের চারটি বিভাগের ৫৪টি স্পটে এখন থেকে গাড়ি পার্ক করা যাবে। এসব পয়েন্টে একসঙ্গে দুই হাজার ৭০৪টি গাড়ি রাখা যাবে। ট্রাফিক বিভাগ কয়েকটি স্থানে গাড়ি পার্কিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে। তারা প্রস্তাব দিয়েছে, সিটি করপোরেশন অনুমতি দিলে ঘণ্টায় ১৫ টাকা করে টোল আদায় করতে পারে।

সরেজমিন চিত্র : মিরপুর রোডের সঙ্গে গ্রিন রোডের সংযোগকারী রাস্তার উভয় পাশে ৭৫টি গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ রাস্তাটিতেও স্কুল ছুটির সময় যানজট লেগে থাকে। মিরপুর রোডের অবস্থাও তাই। তখন নীলক্ষেতগামী যানবাহনগুলো এ সড়ক ব্যবহার করে সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে গিয়ে যুক্ত হয়। ধানমণ্ডির সাতমসজিদ রোডের পশ্চিম পাশের জিগাতলা থেকে বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কে ১০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সড়কটি প্রায় সারাক্ষণই ব্যস্ত থাকে। মহাখালীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সামনে থেকে মহাখালী কমিউনিটি সেন্টার ব্যায়ামাগার পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশে ২০টি ও তিতুমীর কলেজের সামনে থেকে মহাখালীর জলখাবার পর্যন্ত (হাউস নম্বর ৮২) রাস্তার পশ্চিম পাশে ১৫টি গাড়ি পার্কিংয়ের কথা বলা হয়েছে। এ সড়কটিতেও সারাক্ষণ যানজট থাকে। স্থানীয়রা জানান, মহাখালীতে ফ্লাইওভার হওয়ার পরও এখানকার যানজট কমেনি। তার ওপর রাস্তায় পার্কিংয়ের জন্য এ স্থান নির্ধারণ করায় তারা বিস্মিত।

অন স্ট্রিট গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান : ট্রাফিকের পূর্ব বিভাগ অন স্ট্রিট পার্কিংয়ের জন্য দয়াগঞ্জ মোড় থেকে জুরাইন রেলগেট (মীরহাজিরবাগ নতুন বাজার), মতিঝিল বিনিয়োগ বোর্ড থেকে পিপলস ইন্স্যুরেন্স পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, বায়তুল মোকাররম স্বর্ণমার্কেট লিংক রোডের এক পাশ, মতিঝিলের জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয় থেকে বক চত্বরের উভয় পাশ, মতিঝিলের বাবে রহমত ক্রসিং থেকে এজিবি কলোনি বাজার পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, নয়াপল্টনের পলওয়েল মার্কেটের এক পাশ, মতিঝিলের কমিশনার গলি থেকে মন্দির পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, মতিঝিলের বন ও শিল্প ভবন থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ, মতিঝিলের ২৪ তলা বিল্ডিং থেকে অ্যালিকো বিল্ডিং পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, কমলাপুর পীরজঙ্গী মাজার থেকে কমলাপুর পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের রাস্তার উভয় পাশ, মতিঝিলের আল হেলাল পুলিশ বক্স থেকে বাবে রহমত পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ, মাতুয়াইল মাতৃসদন হাসপাতাল থেকে হাশিম রোড পর্যন্ত সার্ভিস রোডের এক পাশকে নির্ধারণ করেছে।

ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ : হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে নেভি কল্যাণ ফাউন্ডেশন পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, বেইলি রোডের উত্তর পাশ, এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল থেকে গাউছিয়া মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, পলাশী থেকে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত রাস্তার এক পাশ, নিউমার্কেট ১ নম্বর গেট রাস্তার উভয় পাশ, নিউমার্কেট ২ নম্বর গেট থেকে ৪ নম্বর গেট পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, ধানমণ্ডি ৪, ৫, ৬, ৭ ও ৮ নম্বর রোড, মিরপুর রোডের সঙ্গে গ্রিন রোডের সংযোগকারী রাস্তার উভয় পাশ ও সাতমসজিদ রোডের পশ্চিম পাশকে পার্কিংয়ের জন্য ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগ নির্ধারণ করেছে।

ট্রাফিক উত্তর বিভাগ : জসীমউদ্‌দীন এভিনিউসংলগ্ন উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের সার্ভিস লেনে হোটেল ম্যাপললিফ থেকে সাউথইস্ট ব্যাংক পর্যন্ত রাস্তার পূর্ব পাশ, জসীমউদ্‌দীন এভিনিউসংলগ্ন উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের সার্ভিস লেনে জিবিটি টাওয়ার (ব্র্যাক ব্যাংক) থেকে সিয়াম টাওয়ার পর্যন্ত রাস্তার পূর্ব পাশ, জসীমউদ্‌দীন এভিনিউসংলগ্ন উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের সার্ভিস লেনের এবিসি টাওয়ার থেকে উত্তরা টাওয়ার (লাজ ফার্মা) পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পাশ, জসীমউদ্‌দীন এভিনিউসংলগ্ন এবিসি টাওয়ার থেকে অ্যাস্টনিস্ট শপিং সেন্টার পর্যন্ত রাস্তার পূর্ব পাশ, উত্তরার সিঙ্গাপুর প্লাজা থেকে রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্স পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার লতিফ ইম্পেরিয়াল খাজানা হোটেল থেকে কুশল সেন্টার পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার কুশল সেন্টার থেকে বেলি কমপ্লেক্স পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার বেলি কমপ্লেক্স থেকে লন্ডন প্লাজা পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার লন্ডন প্লাজা থেকে এসবি প্লাজা পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার এসবি প্লাজা থেকে এবি মার্কেট পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরার এবি মার্কেট থেকে আমির কমপ্লেক্স পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম ও রবীন্দ্রসরণির উত্তর পাশ, উত্তরা আমির কমপ্লেক্সের পশ্চিমে এইচএম প্লাজা পর্যন্ত রাস্তার পূর্ব পাশ, বনানী ১৭ নম্বর রোডের হাউস নম্বর ৫ থেকে হাউস-৩৫/এ পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পাশ এবং বনানী ১৭ নম্বর রোডের হাউস-৮ এবিসি টাওয়ার থেকে হাউস-৪২ ইকবাল সেন্টার পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পাশকে পার্কিংয়ের স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বনানী রোড নম্বর ১৯/এ-এর হাউস-৬২ থেকে হাউস-৯৩ পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, গুলশান রোড নম্বর ১০৩-এর হাউস-সিইএন (বি)-৫ থেকে হাউস-১ পর্যন্ত রাস্তার দক্ষিণ পাশ, গুলশান রোড নম্বর ১০৯-এর হাউস-সিইএন-৪ থেকে হাউস-৭ পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পাশ, মহাখালীর স্কয়ার বিল্ডিংয়ের পশ্চিম পাশের স্কয়ার বিল্ডিং থেকে শুরু করে খাবারঘর হোটেল ৭৭/১ পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, মহাখালীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সামনে হাউস-৬৭/৮ থেকে মহাখালী কমিউনিটি সেন্টার ব্যায়ামাগার পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, তিতুমীর কলেজের সামনে (ব্যাংক এশিয়া) থেকে হাউস-৮২ পর্যন্ত রাস্তার পশ্চিম পাশ, উত্তরা ১২ নম্বর চৌরাস্তা থেকে দিয়াবাড়ী খালপাড় রাস্তার দক্ষিণ পাশ, মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচ থেকে সৈনিক ক্লাবগামী ফিডার রোড পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশ, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিএসটিআইর পূর্ব-পশ্চিম পাশ, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিটাকের পূর্ব-পশ্চিম পাশ এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের সোনালী ব্যাংকের পূর্ব-পশ্চিম পাশে পার্ক করা যাবে।

ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগ : ফার্মগেটের খেজুরবাগান গোলচত্বরের পূর্ব পাশ, মিরপুর স্টেডিয়ামের পাশে মিল্ক্ক ভিটা রোডের উত্তর পাশ, চিড়িয়াখানা রোডের (সনি সিনেমা হল থেকে চিড়িয়াখানা) উভয় পাশ, মিরপুর-১৪ থেকে টেকনিক্যাল পর্যন্ত মূল সড়কের পূর্ব পাশ, কচুক্ষেত রোডের ইব্রাহিমপুর বাজার রোড ও কচুক্ষেত রোডের সংযোগস্থল থেকে উত্তর ও দক্ষিণ প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশ, মিরপুর-১৪ বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ স্মৃতি স্কুল ও কলেজ পর্যন্ত মূল সড়কের দক্ষিণ পাশ, মিরপুর শাহ্‌ আলী মাজার থেকে মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পাশকে ট্রাফিক পশ্চিম বিভাগ পার্কিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে। সমকাল

সর্বাধিক পঠিত