প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিরাপত্তার স্বার্থে থার্টি ফার্স্ট নাইটে কড়াকড়ির ব্যবস্থা: সাহেলি ফেরদৌস

ফারমিনা তাসলিম : বাংলাদেশের থার্টি ফার্স্ট নাইট এবং ইংরেজি নববর্ষের প্রথম প্রহরকে সামনে রেখে ব্যাপক নিরাপত্তার প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশ আসাদুজ্জামান মিঞা বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটের উদযাপন চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কোন উম্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে গান বাজনা করা বা আতশবাজি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া উম্মুক্ত স্থানে যেকোন আয়োজন না করতে বলা হয়েছে।

বাড়তি নিরাপত্তা বলতে কী বুঝানো হয়েছে? এ প্রসঙ্গে বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন পুলিশের একজন কর্মকর্তা সোহেলি ফেরদৌস।

তিনি বলেন, আজ আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রমনা জোনের অধীনে থাকব। সন্ধ্যা ৬ টার পরে কেউ ঢুকতে পারবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড সহকারে এ এলাকাতে প্রবেশ করতে পারবে। আর বাকি সবাইকে এখানে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীলক্ষেতের দিকে সন্ধ্যা ৬ টার পরে এন্ট্রি করতে পারবে না। গুলশানে দিকে রাত আটটার পরে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এক্সিট পয়েন্ট আছে কিন্তু এন্ট্রি করতে পারবে না। গুলশান এবং রমনার সিকিরিউটি জোনের বাইরে যেসব ফাইভ স্টার হোটেলগুলোতে থার্টি ফার্স্টের প্রোগ্রাম উদযাপিত করা হবে। সে জায়গাগুলোতে আমাদের ডিজি এবং এসডির সাদা পোশাক পরিহিতা থাকবে। তাছাড়াও ওয়াটার ক্যানন এবং অন্যান্য যেসব সিস্টেম আছে আমাদের এগুলো সিকিউরিটির দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কেন এত কড়াকড়ি করা হয়েছে?
জবাবে সাহেলি ফেরদৌস বলেন, পাবলিক সেফটিক সিকিউরিটির কথা ভেবে করা হয়েছে। নিরীহ কাজে অনেক সময় ইয়ং বয়সে সমস্যা হয়। সিচুয়েশনটি মাথায় রেখে এ উদ্যোগটি নেয়া হয়েছে। সবকিছু পালিত হবে মডারেটের উপায়ে এবং যেখানে সবাই প্রোগ্রামটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে সেলিব্রেট এবং অংশগ্রহণ করতে পারে। এখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে তারা সবাই সেলিব্রেট করতে চায় করুক। শুধু ওইদিনের কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

একজন মানুষ যদি তার বাড়ীর ছাদে উদযাপন করতে চায় তাহলে সমস্যা কোথায়?
জবাবে সাহেলি ফেরদৌস বলেন, একটি বাড়িতে সাউন্ড সিস্টেম থাকে না। একটি বাড়ি পর পর বা পাশাপাশি বাড়িতে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে এতগুলো জায়গাতে পারমিশন করাটা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। এজন্য তারা সেন্ট্রাল পয়েন্ট বা জোনভিক্তিক ব্যবস্থাগুলোর অনুমোদন নিয়ে তারা প্রোগ্রাম করতে চাই তাহলে আমরা সিকিউরিটির ব্যবস্থা নিতে পারি। ইনডিভিজ্যুয়েলি কেউ কোন এলাকা বা বিল্ডিংয়ের ছাদে প্রোগ্রাম করতে চাই আমরা কোন ধরণের মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করতে পারব না। কোন রকম অকারেন্স যদি হয় ওভার পপুলেট একটা সিটিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কষ্ট হয়ে যায়।

থার্টি ফার্স্ট নাইটে মনিটর করার জন্য কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে?
জবাবে সাহেলি ফেরদৌস বলেন, প্রোগ্রামটি আমরা বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করেছি। এখানে সুপারভাইজার টিম, ইনচার্জ আছে। স্টেপ বাই স্টেপ আমাদের সুপারভাইজেশনের ব্যবস্থা নেয়া আছে। মেন্যু বা এরেজন্টগুলো বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করা আছে। সূত্র – বিবিসি বাংলা

আনিস/

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত